লখনউ ও নয়াদিল্লি: ভুয়ো দূতাবাস খুলে প্রতারণা। গাজিয়াবাদের কবিনগর এলাকায় এসটিএফের হানায় গ্রেপ্তার হয়েছিল এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড হর্ষবর্ধন জৈন। পুলিসের তদন্তে এই ভুয়ো রাষ্ট্রদূত সম্পর্কে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতে শুরু করেছে। ধৃত এই ব্যক্তি ক্যামেরুন, মরিশাস, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও ব্রিটেনে একের পর এক ভুয়ো কোম্পানি খুলেছিল। বিদেশে চাকরির টোপ ও বড় বাণিজ্যিক চুক্তি করিয়ে দেওয়ার নামে চলত প্রতারণা। কাগুজে কোম্পানির পাশাপাশি ধৃত জৈনের নামে দেশে ও বিদেশে অন্তত ১১টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এর মধ্যে ছ’টি দুবাই, তিনটি মরিশাস, একটি লন্ডন ও একটি রয়েছে ভারতে। প্রতারণার পাশাপাশি হাওলা চক্র চালানোরও অভিযোগ উঠেছে এই ভুয়ো রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে। জৈনের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে তার সঙ্গে বিদেশের মাটিতে স্বঘোষিত ধর্মগুরু চন্দ্রস্বামী ও এহসান আলি সইদ নামে এক ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতার কথা জানতে পেরেছে পুলিস। সেই সূত্রেই উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য।



