Bartaman Logo
১৫ জুন, ২০২৬

পুলিশের এনকাউন্টারে খতম উত্তরপ্রদেশে পুরোহিত হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ইজারয়েল

উত্তরপ্রদেশে পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হল পুরোহিত হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ইজারয়েল। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা। বিস্তারিত পড়ুন।

পুলিশের এনকাউন্টারে খতম উত্তরপ্রদেশে পুরোহিত হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ইজারয়েল
  • ১৫ জুন, ২০২৬ ১০:৫৬
Prefer us on Google

লখনউ, ১৫ জুন: পুলিশের এনকাউন্টারে খতম পুরোহিত হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত তথা উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ের কুখ্যাত দুষ্কৃতী ইজারয়েল। সোমবার ভোরে আগ্রা-লখনউ এক্সপ্রেসওয়ের কাছে পুলিশের এক স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ এর সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত হয় সে। এই ঘটনায় এক কনস্টেবলও আহত হয়েছেন বলে সূত্রের খবর।  

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আগ্রা-লখনউ এক্সপ্রেসওয়ের এয়ারস্ট্রিপ সংলগ্ন সার্ভিস রোডে তল্লাশি চালানোর সময় এসওজি ও স্থানীয় থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় যে অভিযুক্ত ইজারয়েল তাজপুর গ্রামের আন্ডারপাসের কাছে লুকিয়ে আছে। খবর পাওয়ার পর যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে ঘিরে ফেলে এবং আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আত্মসমর্পণ না করে ইজারয়েল পুলিশের ওপর গুলি চালায়। একটি গুলি এক সাব-ইন্সপেক্টরের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটে লাগে, ফলে তিনি বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান। অন্যদিকে, এসওজি-র কনস্টেবল বিকাশ ভাদৌরিয়ার হাতে গুলি লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। পুলিশের পাল্টা গুলিতে ইজারয়েল গুরুতর জখম হয়। তাকে দ্রুত স্থানীয় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, দুটি খালি কার্তুজ এবং একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। 

গত ৯ জুন, উন্নাও জেলার বঙ্গারমাউ থানার রামনগর গ্রামে নির্মীয়মাণ একটি মন্দির থেকে উদ্ধার হয় সাধু মিলন সিং রঘুবংশী ওরফে বাবা মিলন দাসের রক্তাক্ত দেহ। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে নির্মীয়মাণ মন্দিরের সামনে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করেন এবং বিক্ষোভে সামিল হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল মিলন দাসকে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে লাল্লি, ইয়ামিন, শানু সফি এবং ইজরায়েল নামে চার সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে গতি আনতে উন্নাও পুলিশের সিনিয়র সুপারিন্টেনডেন্ট জেপি সিং একাধিক বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেন। তার পরেই আটক করা হয় ইজরায়েলকে। বাকিদের এখনো খোঁজ চলছে বলে জানিয়ছে তদন্তকারীরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ