


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অর্থমন্ত্রকের অনুমোদন পাওয়ার সপ্তাহ তিনেকের মধ্যেই গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে ইপিএফ সুদের টাকা জমা পড়তে শুরু করেছে। শনিবার এমনই দাবি করা হয়েছে শ্রমমন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রে। যদিও মন্ত্রকের এহেন দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন কর্মী পিএফ (ইপিএফ) গ্রাহকদেরই একটি অংশ। তাদের অভিযোগ, বাছাই করা কয়েকজন গ্রাহক ইপিএফে
সুদের টাকা পেয়ে থাকতে পারেন।
কিন্তু গ্রাহকদের একটি বড় অংশই এখনও পর্যন্ত তা পাননি। এই ব্যাপারে অবশ্য সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা শ্রমমন্ত্রক করেনি।
তবে মন্ত্রক সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে, কখনওই একবারে সাড়ে সাত কোটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ইপিএফ সুদের টাকা দেওয়া হয় না। তা ধাপে ধাপেই পান গ্রাহকরা। সুদের টাকা জমা পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে শ্রমমন্ত্রকের আওতাধীন ইপিএফও অছি পরিষদের বৈঠকে ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে ইপিএফ সুদের হার ৮.২৫ শতাংশ হারে অপরিবর্তিত রাখারই সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই ব্যাপারে অর্থমন্ত্রকের অনুমোদন পেতে আরও তিন মাস কেটে যায়।
মে মাসের শেষে অর্থমন্ত্রকের এই সংক্রান্ত সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পর ইপিএফ সুদের টাকা গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে জমা করার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠন (ইপিএফও)। সেই বিজ্ঞপ্তি জারির প্রায় তিন সপ্তাহ পর টাকা জমা পড়া শুরু হয়েছে বলে মন্ত্রক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। আর মন্ত্রকের এহেন দাবি নিয়েই শুরু হয়েছে চর্চা। তীব্র হয়েছে বিতর্কও। শ্রমিক সংগঠনগুলির দাবি, কর্মচারীদের হকের টাকা দ্রুত জমা করতে হবে কেন্দ্রকে।