সংবাদদাতা, খাতড়া: শনিবার সিমলাপালের মুসলিম পাড়া ২নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খিচুড়িতে পোকা উদ্ধারের ঘটনায় বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকও স্থানীয়দের একাংশ। এর আগেও ওই কেন্দ্রের খিচুড়িতে আরশোলা ও মাকড়শা পাওয়া গিয়েছিল। এবার ফের খিচুড়িতে পোকা পাওয়ায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সহায়িকাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। এনিয়ে সিমলাপাল ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ৬০ জন শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য খিচুড়ি রান্না করা হয়। সেই খিচুড়িতেই পোকা দেখতে পাওয়া যায়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই অভিভাবক ও স্থানীয়দের একাংশ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ও সহায়িকাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়।
কেন্দ্রের কর্মী চিন্ময়ী কর্মকার ও সহায়িকা দিপালী পাঠক বলেন, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের রান্নাঘরে আলোর ব্যবস্থা নেই। রয়েছে ছোট ছোট জানালা। অন্ধকার থাকায় বাধ্য হয়ে মোবাইলের টর্চ জ্বেলে রান্না করতে হয়। সতর্ক থাকা সত্ত্বেও এই ঘটনা ঘটেছে। শুধু এবার নয়, এর আগেও খিচুড়িতে আরশোলা পাওয়া গিয়েছিল। রান্নাঘরের পরিকাঠামো পরিবর্তনের জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েতে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি।
বিক্ষোভকারী হাসিনাদেবী বলেন, এর আগেও খিচুড়িতে আরশোলা ও মাকড়শা পাওয়া গিয়েছিল। কেন্দ্রের রান্নাঘর আলো নেই। অন্ধকারে সবকিছু স্পষ্ট দেখা যায় না। কেন্দ্রের চারপাশ নোংরা আবর্জনা›র স্তুপ রয়েছে। সেজন্যই বার বার এধরনের ঘটনা ঘটছে। নিজস্ব চিত্র