


সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: মঙ্গলবার, ১ জুলাই ডক্টর্স ডে’তে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে চালু হল ইনফার্টিলিটি ক্লিনিক। দার্জিলিং জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামাণিক বলেন, বন্ধ্যাত্ব কাটিয়ে সন্তান পাওয়ার স্বপ্নপূরণের জন্যই এই ক্লিনিক। কেননা এই সমস্যার সমাধানের জন্য বেসরকারি ক্ষেত্রে চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে সেই চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে।
ইনফার্টিলিটি ক্লিনিকের ক্ষেত্রে আলাদা পরিকাঠামো প্রয়োজন। আইভিএফের প্রয়োজন হলে তার জন্য স্পার্ম ব্যাঙ্ক, উন্নত ল্যাবরেটরিও দরকার হয়। কিন্তু শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে সেই পরিকাঠামো নেই। তাহলে কীসের ভিত্তিতে এই ইনফার্টিলিটি ক্লিনিক চালু হল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ প্রসঙ্গে সিএমওএইচ বলেন, এই ক্লিনিকের শুরুতেই আইভিএফ বা উন্নত ল্যাবের কথা ভাবা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, সঠিক পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে সন্তান না হওয়ার কারণ চিহ্নিত করার পর চিকিৎসার মাধ্যমে ডাক্তারদের পরামর্শ মতো চললে মা হওয়া যায়। এই ক্লিনিকে সেই তথ্য সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে দম্পতিদের উপযুক্ত চিকিৎসার মধ্য দিয়ে সন্তানধারণের চেষ্টা করা হবে।
সাধারণত ৩৫ বছরের পর বিয়ের ক্ষেত্রে দু’বছরের মধ্যে গর্ভধারণ না হলে বন্ধ্যাত্বের বিষয়টি সাধারণত সামনে আসে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে সন্তান কেন আসছে না, তার কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পরামর্শ দেওয়া হবে এই ক্লিনিক থেকে। সেরকম ৪০ বছরের বেশি বয়সের মহিলাদের সন্তান না হলে তাঁদেরও বিশেষ কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে দিয়ে কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পরামর্শ দেওয়া হবে। সিএমওএইচ ডাঃ তুলসী প্রামাণিক বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে সঠিক চিকিৎসা ও পরামর্শের অভাবে মহিলারা সন্তান ধারণ করতে পারেন না। এই সমস্যা থেকে বের করে আনার জন্যই শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ইনফার্টিলিটি ক্লিনিক খোলা হল। এর জন্য বাড়তি কোনও ডাক্তারের প্রয়োজন হবে না। হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের যে চিকিৎসকরা রয়েছেন, তাঁরাই এই ইনফার্টিলিটি ক্লিনিকে রোগী দেখবেন।
কোনও ক্ষেত্রে আইভিএফের প্রয়োজন হলে কী করা হবে, সেই প্রশ্নে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। নিজস্ব চিত্র।