ইন্ডি জোটের পিটিশনে একাধিক ত্রুটি, বাকি কোর্ট ফি! বিপাকে রাহুলরা
  • ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:৫৪
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি, ১৩ অক্টোবর: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং  এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। কিন্তু আদালতে শুনানি শুরু হওয়ার আগেই আইনি নথিপত্র নিয়ে একাধিক আপত্তির মুখে পড়ল সেই আবেদন।  কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি-সহ ১১ জন বিরোধী নেতার দায়ের করা মামলায় মোট ১৪টি ত্রুটি চিহ্নিত করেছে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রি। ফলে এখনও শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হওয়ার থেকে বিরত থাকল মামলাটি।

Advertisement

শীর্ষ আদালতের রেজিস্ট্রির তরফে যে ত্রুটিগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে আইনজীবীদের পক্ষে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্রে স্বাক্ষরের অভাব, নথিগুলির অস্পষ্টতা এবং আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা না দেওয়া। পাশাপাশি, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট ও পরিস্কার প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের মধ্যে ৩ থেকে ১১ নম্বর ক্রমিকে থাকা নয় জন নেতার ওকালতনামা ও নেই এবং তাতে কোনো সাক্ষর নেই বলেও আপত্তি জানিয়েছে  রেজিস্ট্রি। যাঁদের নথি নিয়ে আপত্তি উঠেছে, তাঁরা হলেন সৌগত রায়, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী প্রসাদ যাদব ছাড়াও আরো কিছু জনের। শুধু পরিচয়পত্র বা আইনজীবীর অনুমতিপত্র নয়, নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত নথির স্পষ্ট প্রতিলিপিও চেয়েছে রেজিস্ট্রি। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের ২৪ জুন এসআইআর শুরু করার সিদ্ধান্ত এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য নথি। পেনড্রাইভে ওই নথিগুলির ডিজিটাল কপিও জমা দিতে বলা হয়েছে। 

সোমবার দায়ের করা এই আবেদনে নির্বাচন কমিশন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশীকে প্রতিপক্ষ করা হয়েছে। বিরোধী নেতাদের দাবি, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং সংশোধনের গোটা প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত কোনও বিচারপতির নেতৃত্বে একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, আদালত মামলার বিষয়গুলি খতিয়ে না দেখা পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্যে চলতে থাকা এসআইআর প্রক্রিয়া অন্তর্বর্তীভাবে স্থগিত রাখার আর্জি জানিয়েছেন আবেদনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, কোনও ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আগে তাঁকে যথাযথ নোটিস দিতে হবে এবং নিজের বক্তব্য জানানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিতে হবে।