সদিয়ালে অযোধ্যার রামমন্দির, বারুইপুরের দাসবাড়িতে আরতির সময় আসে লক্ষ্মীপেঁচা
  • ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, বারুইপুর: লক্ষ্মীপুজোয় জমজমাট মথুরাপুরের সদিয়াল। পুজোর মণ্ডপ তৈরি হয়েছে অযোধ্যার রামমন্দিরের আদলে। রথের দিন থেকে প্যান্ডেল তৈরি শুরু হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে শিল্পীরা এসে মণ্ডপ তৈরি করেছেন। রামায়ণের একাধিক কাহিনি বর্ণিত রয়েছে মণ্ডপে। দেবী স্বর্ণালঙ্কারে সেজে। অন্যদিকে বারুইপুরের ঘোষপুরের দাসবাড়ির লক্ষ্মীপুজো নিয়েও আগ্রহ রয়েছে সবার। সে পুজো এবার ১০৪ বছরে পা দিয়েছে। পুজোর সন্ধ্যারতির সময় কিছুক্ষণের জন্য হলেও হাজির হয় লক্ষ্মীপেঁচা।

Advertisement

মথুরাপুরের আমরা সবাই ভাই ভাই ক্লাবের পরিচালনায় সদিয়াল জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে হয় লক্ষ্মীপুজো। তা এবার ২০ বছরে পড়েছে। প্রতিবছরেই এই পুজো চমক নিয়ে হাজির হয়। পুজোর দায়িত্বে থাকেন হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ। মহিলাদের অংশগ্রহণও উল্লেখ করার মত। এ সময় গ্রামে একসপ্তাহ ধরে চলে উৎসব। মেলা বসে। হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পুজোর কর্মকর্তা হলেন সাংসদ বাপি হালদার। তিনি বলেন, ‘অযোধ্যার রামমন্দির হল পবিত্র তীর্থক্ষেত্র। অনেকে সে মন্দিরে যেতে পারেননি। তাঁদের জন্যই রামমন্দিরের আদলে নির্মিত হয়েছে মণ্ডপ। মন্দিরের ভিতর সীতাহরণ থেকে শুরু করে রাবণ বধ সবই দেখা যাবে। রয়েছেন বজরংবলী। লক্ষ্মীর ১৩টি রূপ দেখানো হবে।’ অন্যদিকে বারুইপুরের দাসবাড়ির লক্ষ্মীকুটিরের পুজো ঘিরেও চলছে ব্যস্ততা। সেই পরিবারের সদস্য অনুপম দাস বলেন, ‘১৯২৩ সালে প্রিয়নাথ দাস শুরু করেছিলেন পুজো। লক্ষ্মীপুজোর আগে নিয়ম মেনে বাস্তুপুজো ও নারায়ণ পুজো হয়। পরিবারের মেয়েদের তৈরি নারকেল নাড়ু, তিলের নাড়ু, ক্ষীরের সন্দেশ, ছাপা সন্দেশ দিয়ে ভোগ দেওয়া হয়। দেবীর দু’পাশে দুই সখী জয়া ও বিজয়া থাকেন।