নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: থিমের মণ্ডপ করেই দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে থাকে বেশিরভাগ পুজো কমিটি। ভাঙড়েও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু নজর টানছে এক বিশেষ পুজো। তাঁদের মূল আকর্ষণ মণ্ডপ নয়, আলোকসজ্জা। এছাড়াও তামাটে রঙের দুর্গামূর্তি দেখা যাবে আরেক মণ্ডপে। সব মিলিয়ে ভাঙড়ের পুজোতেও মিলবে অভিনবত্বের ছোঁয়া। কাশীপুর শতধারা প্রমীলা সংঘের এবার ১১ তম বর্ষ। তিন হাজার বর্গফুট জায়াগায় পোড়া মাটির কলসি, ঘট প্রভৃতি দিয়ে ‘মাটির পরশ’ থিম গড়া হয়েছে। মণ্ডপের ভিতরে থাকছে কাঠের সিলিং, দেওয়াল, প্রতিমার বেদি। পাহাড়ি এলাকায় যে ধরনের প্যাগোডা হয়, সেটাই এবার স্থান পাবে এখানে। পুজোর বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ছয় লক্ষ টাকা। হালকা আলোর ব্যবহার হবে মণ্ডপ জুড়ে। মাটির ভাঁড়, কলসি থেকে আলো ঠিকরে বেরবে। মূলত স্পটলাইটের ব্যবহার করা হবে। পঞ্চমীতে উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। থিমের সঙ্গে মানিয়ে ঠাকুরের গায়ের রং তামাটে বা পোড়ামাটির রঙের করা হয়েছে। সমন্বয়ের বার্তাকে শিরোধার্য করে সব ধর্মের মানুষই এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত থাকেন। কালিকাপুর মায়ের আশ্রমের পুজোর এবার ৭৪ তম বর্ষ। আলাদা করে মণ্ডপ হয় না, কারণ তাঁদের স্থায়ী মন্দির কাঠামো রয়েছে। তার ভিতরে পুজো হয়। তবে আলোকসজ্জায় চমক দিচ্ছে এই পুজো কমিটি। তাদের যুগ্ম সম্পাদক অরূপ দত্ত বলেন, আলো আঁধারি দিয়ে মণ্ডপ সাজানো হবে। উদ্দেশ্য হল, প্লাস্টিক ব্যবহার না কমানো গেলে বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য না করা হলে মানুষ আঁধারে চলে যাবে– সেটাই আলোকসজ্জা দিয়ে মানুষকে বোঝানো হবে। সাত লক্ষ টাকার বাজেট এই পুজোর। ঠাকুর সাবেকি ঘরানার। ষষ্ঠীর দিন উদ্বোধন হবে পুজোটির। চন্দনেশ্বর দুর্গাপুজো কমিটির এটা ৮০ তম বর্ষ। ছোট আকারে পুজো করছে তারা। কাল্পনিক মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। তবে ভিতরে নানা সাজসজ্জা থাকছে বলে জানান পুজো কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ দাস। সাবেকি ঘরানার ঠাকুর এনে পুজো করা হবে। তিন লক্ষ টাকার বাজেট ধরা হয়েছে এই পুজোর।



