Bartaman Logo
৪ অক্টোবর, ২০২৬

চোখের সামনে স্বামী-ছেলে-জামাইকে খুন, ৩২ বছর পর অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ আদালতের

চোখের সামনে স্বামী, ছেলে ও জামাইকে খুন হতে দেখেছিলেন সুমিত্রা দেবী। বাঁচানোর চেষ্টা করেও পারেননি। উল্টে হামলাকারীরা তাঁকেই গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছিল বলে অভিযোগ।

চোখের সামনে স্বামী-ছেলে-জামাইকে খুন, ৩২ বছর পর অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ আদালতের
  • ৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৪৮
Prefer us on Google

লখনউ, ৪ অক্টোবর: চোখের সামনে স্বামী, ছেলে ও জামাইকে খুন হতে দেখেছিলেন সুমিত্রা দেবী। বাঁচানোর চেষ্টা করেও পারেননি। উল্টে হামলাকারীরা তাঁকেই গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছিল বলে অভিযোগ। ৩২ বছর পর অবশেষে আদালতে হল ঘটনার বিচার। উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচের পুরনো ত্রিমুখী খুনের মামলায় পাঁচ অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল বিশেষ আদালত। প্রত্যেককে ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

শনিবার বিশেষ বিচারক এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত পাঁচ অভিযুক্ত পবন কুমার শর্মা মহাবীর, গিরধারী, বিজয়রাজ, গরিবে এবং রাধেশ্যামকে দোষী সাব্যস্ত করে এই সাজা ঘোষণা করেন। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের ৩১ জুলাই বাহরাইচের চৌয়াইনপুরওয়া গ্রামে একটি বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়ির সদস্যদের উপর হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় বাড়ির তিন সদস্য চিরকু, তাঁর ছেলে সনতরাম এবং জামাই মায়ারাম নিহত হন।

হামলার সময় চিরকুর স্ত্রী সুমিত্রা দেবী স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাঁকেও হামলাকারীরা একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে বলে অভিযোগ। তাঁর চোখের সামনেই স্বামী, ছেলে ও জামাইকে হত্যা করা হয় এমনটাই অভিযোগ। পরে সুমিত্রা দেবীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এককটি এফআইআর দায়ের হয়। এই ঘটনায় মোট নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার মধ্যেই শ্যামলাল, রামফল, গোপী এবং ধোঢে নামে চার অভিযুক্তের মৃত্যু হয়। ফলে তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বাকি পাঁচ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চলতে থাকে মামলা। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নানা আইনি প্রক্রিয়া পেরিয়ে অবশেষে শনিবার রায় ঘোষণা করল বিশেষ আদালত। পাঁচজনকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ