


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অনুমোদিত পদ। যোগ্যতা। সঠিক নিয়োগ প্রক্রিয়া—এই তিনটি বিষয় মানা হয়েছে কি না, সেটাই খতিয়ে দেখে বিচার হবে মাদ্রাসা শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের চাকরির ভবিষ্যৎ। বুধবার মাদ্রাসায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ মামলার শুনানিতে এমনটাই জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহার বেঞ্চে ছিল শুনানি। আজ বৃহস্পতিবারও চলবে। শুনানির পর্যবেক্ষণে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর মন্তব্য, অনুমোদিত পদ না থাকলেও কীভাবে অতিরিক্ত পদ তৈরি করে চাকরি দেওয়া হল? কেনই বা পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রিধারীর চেয়ে স্রেফ স্নাতককে নেওয়া হয়েছে? চাকরি পাওয়ার যোগ্যতকে গুরুত্ব না দিয়ে মাদ্রাসার পরিচালক কমিটি কি নিয়োগ করেছে? কেন পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে নিয়োগের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি? যদিও চাকরিরত শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের আইনজীবীদের দাবি, তাঁরা যোগ্য। তাছাড়া অনেকদিন চাকরি করছেন। এমতাবস্থায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে চাকরি বাতিল মোটেই বাঞ্চনীয় নয়।