Bartaman Logo
৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হাসপাতাল সংলগ্ন হোটেল-দোকান ব্লাড র‍্যাকেটের এপিসেন্টার, ধৃত ৩

দুর্গাপুরে ব্ল্যাড র‌্যাকেটের তিনজনকে জালে তুলল পুলিশ। বেআইনিভাবে টাকার বিনিময়ে নাবালকদের দেহ থেকে রক্ত ‘লুট’ করে র‌্যাকেটটি কারবার চালাচ্ছিল।

হাসপাতাল সংলগ্ন হোটেল-দোকান ব্লাড র‍্যাকেটের এপিসেন্টার, ধৃত ৩
  • ৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: দুর্গাপুরে ব্ল্যাড র‌্যাকেটের তিনজনকে জালে তুলল পুলিশ। বেআইনিভাবে টাকার বিনিময়ে নাবালকদের দেহ থেকে রক্ত ‘লুট’ করে র‌্যাকেটটি কারবার চালাচ্ছিল। রীতিমতো পরিকল্পনা করেই ধৃতরা নাবালকদের ফাঁদে ফেলত। তারপর নামমাত্র পকেট মানি দিয়ে তাদের দেহ থেকে রক্ত বের করে বিক্রি করত। শুক্রবার দুর্গাপুরের বেসরকারি হাসপাতাল সংলগ্ন একটি হোটেল থেকে এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আরও দু’জনকে ধরা হয়। জানা গিয়েছে, একাধিক দোকান ও হোটেল থেকেই রক্তের খদ্দের জোগাড় করা হতো। ধীরে ধীরে এগুলি হয়ে উঠেছিল অবৈধ উপায়ে রক্ত সংগ্রহ ও রক্ত বিক্রির এপি সেন্টার। তিনজন ধরা পড়লেও মাথারা এখনও অধরা। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়ার তিন অভিযুক্তের রক্ত কারবারে কী কী ভূমিকা ছিল, তাও স্পষ্ট করেছে তদন্তকারীরা। যেমন, ধৃত শেখ হাবিবুল রক্তের খদ্দেরের হদিশ দিত র‌্যাকেটকে। সে হোটেলের কর্মী। স্কুল পড়ুয়াদের রক্ত দিতে উৎসাহিত করত ধৃত দেবপ্রিয় চক্রবর্তী। চক্রটি কতটা পরিকল্পনা মাফিক রক্ত সংগ্রহ ও বিক্রি করত, তার প্রমাণ মেলে অমিত প্রসাদের বয়ানে। ব্লাড র‌্যাকেটের এই সদস্যের কাজ ছিল নাবালকদের পরিচয়পত্রে বয়সের হেরফের ঘটানো। অমিত প্রথমে নাবালকদের আধার কার্ড স্ক্যান করত। তারপর বয়সের জায়গাটি এডিট করে ডেট অব বার্থ এমনভাবে বসানো হতো যাতে সেই নাবালককে সদ্য সাবালক হিসাবে প্রমাণ করানো যায়। সেই ‘সাবালক’ সামান্য টাকার বিনিময়ে রক্ত দিত র‌্যাকেটকে। 
পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার বলেন, ‘নাবালকদের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে রক্ত সংগ্রহের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যে হাসপাতালে তাদের রক্ত সংগ্রহ করা হচ্ছিল, তার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ