৬৭ গুণ বেশি দামে ওষুধ বিক্রি করছে যোগীরাজ্যের হাসপাতাল, চাঞ্চল্যকর তথ্য খোদ সরকারি সমীক্ষায়
  • ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

লখনউ: ক্রয়মূল্য ৭৪টা ৯ পয়সা। প্যাকেটে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয় মূল্য (এমআরপি) ছাপা হয়েছে ৪ হাজার ৯৮০ টাকা ৯৪ পয়সা। পার্থক্য প্রায় ৬৭ গুণ। উত্তরপ্রদেশের একাধিক মেডিক্যাল কলেজ ও বেসরকারি হাসপাতালের ফার্মাসিতে সমীক্ষা চালিয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এল উত্তরপ্রদেশে ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের। কেন ক্রয় ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে এত ফারাক? খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। বিষয়টি ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে যোগীরাজ্যে। 

Advertisement

মোট ২১৪টি হাসপাতালের ফার্মাসির ১৩০টি ওষুধের উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। তাতে দেখা গিয়েছে, ৩৬টি ওষুধের ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ফারাক ১০ গুণেরও বেশি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই ফারাক ৫০ থেকে ৬৭ গুণ পর্যন্ত। তালিকায় রয়েছে এমন বেশ কিছু ওষুধ, যা আইসিইউতে ভরতি সংকটজনক রোগী ও মারাত্মক সংক্রমণের শিকার রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, মারাত্মক ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ সারাতে ব্যবহৃত পলিমিক্সিন-বি ইঞ্জেকশনের কথা। সেটিরই ক্রয়মূল্য আর এমআরপির ফারাক ৬৭ গুণ। একই কম্পোজিশনের অন্য একটি ওষুধের ক্ষেত্রে ফারাকটা ৫০ গুণেরও বেশি। রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে ব্যবহৃত টেরলিপ্রেসিন ইঞ্জেকশনের ক্রয়মূল্য ৫৬ টাকা। এমআরপি ৩ হাজার ৫০ টাকা। পার্থক্য ৫৪.৪৬ গুণ। শুধু ওষুধ নয়, মেডিকেল ডিভাইসের ক্ষেত্রেও ক্রয়মূল্য ও এমআরপি ফারাকটা একই রকম বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। ঠিক কী কারণে ওষুধগুলির ক্রয়মূল্য ও এমআরপির মধ্যে এত পার্থক্য? আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রোগী ও তাঁর পরিজনদের যাতে সুরাহা হয়, সেদিক থেকেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে।