লখনউ: ক্রয়মূল্য ৭৪টা ৯ পয়সা। প্যাকেটে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয় মূল্য (এমআরপি) ছাপা হয়েছে ৪ হাজার ৯৮০ টাকা ৯৪ পয়সা। পার্থক্য প্রায় ৬৭ গুণ। উত্তরপ্রদেশের একাধিক মেডিক্যাল কলেজ ও বেসরকারি হাসপাতালের ফার্মাসিতে সমীক্ষা চালিয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এল উত্তরপ্রদেশে ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের। কেন ক্রয় ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে এত ফারাক? খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। বিষয়টি ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে যোগীরাজ্যে।
মোট ২১৪টি হাসপাতালের ফার্মাসির ১৩০টি ওষুধের উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। তাতে দেখা গিয়েছে, ৩৬টি ওষুধের ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ফারাক ১০ গুণেরও বেশি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই ফারাক ৫০ থেকে ৬৭ গুণ পর্যন্ত। তালিকায় রয়েছে এমন বেশ কিছু ওষুধ, যা আইসিইউতে ভরতি সংকটজনক রোগী ও মারাত্মক সংক্রমণের শিকার রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, মারাত্মক ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ সারাতে ব্যবহৃত পলিমিক্সিন-বি ইঞ্জেকশনের কথা। সেটিরই ক্রয়মূল্য আর এমআরপির ফারাক ৬৭ গুণ। একই কম্পোজিশনের অন্য একটি ওষুধের ক্ষেত্রে ফারাকটা ৫০ গুণেরও বেশি। রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে ব্যবহৃত টেরলিপ্রেসিন ইঞ্জেকশনের ক্রয়মূল্য ৫৬ টাকা। এমআরপি ৩ হাজার ৫০ টাকা। পার্থক্য ৫৪.৪৬ গুণ। শুধু ওষুধ নয়, মেডিকেল ডিভাইসের ক্ষেত্রেও ক্রয়মূল্য ও এমআরপি ফারাকটা একই রকম বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। ঠিক কী কারণে ওষুধগুলির ক্রয়মূল্য ও এমআরপির মধ্যে এত পার্থক্য? আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রোগী ও তাঁর পরিজনদের যাতে সুরাহা হয়, সেদিক থেকেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে।



