বরদাপুরে প্রধান শিক্ষকের শুরু করা দুর্গাপূজা আজও করছেন তাঁর পরিবার
  • ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

স্বপন দাস, কাকদ্বীপ: এক সময় পাথরপ্রতিমার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কোনো দুর্গাপূজা হতো না। তখন ওই এলাকার প্রায় পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দা নৌকায় চড়ে অন্যত্র পুষ্পাঞ্জলি দিতে যেতেন। গ্রামবাসীদের সেই সমস্যার কথা অনুভব করেছিলেন বড়দাপুর আদর্শ মিলন বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক সন্তোষকুমার কর। তিনিই প্রায় ৬০ বছর আগে গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে বরদাপুর গ্রামে শুরু করেছিলেন দুর্গাপূজা। প্রথম দিকে অস্থায়ী মণ্ডপ তৈরি করে দুর্গাপূজা শুরু করা হয়। কিন্তু কিছুকাল পরে সেই পুজো ভেঙে গিয়ে দু’টি আলাদা পুজো হয়ে যায়। তার মধ্যে একটি পুজো সর্বজনীনভাবে গ্রামের বাসিন্দারা অন্যত্র শুরু করেন।

Advertisement

কিন্তু প্রধান শিক্ষক তাঁর শুরু করা দুর্গাপূজা বন্ধ করেননি। ১৫ বছর আগে নিজের জমিতে তিনি স্থায়ীভাবে দুর্গামন্দির তৈরি করেন। এখন সেখানেই পুজো হয়ে থাকে। তবে প্রধান শিক্ষক সন্তোষবাবু আর জীবিত নেই। বর্তমান তাঁর বংশধররা এই পুজো করে থাকেন। বহু গ্রামবাসীও এই পুজোতে অংশগ্রহণ করেন। সন্তোষবাবুর স্ত্রী অর্চনা কর বলেন, তৎকালীন সময়ে গ্রামের মানুষের মঙ্গল কামনায় তিনি এই দুর্গাপূজা শুরু করেছিলেন। গ্রামের বহু গুণীজনও তাঁর সঙ্গ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে একটি পুজো আলাদা হয়ে গেলেও পুরনো দুর্গাপুজোটি নিজের উদ্যোগে চালিয়ে যান। সেই পুজো আজও মহাসমারোহে হচ্ছে।  নিজস্ব চিত্র