টিফিনের সময় এগিয়ে আনার অভিযোগ, স্কুলে বিক্ষোভ হিন্দু জাগরণ মঞ্চের
  • ১০ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সরকারি নিয়মে টিফিনের সময় দুপুর একটার পরে। কিন্তু নিয়ম না মেনে স্কুলে শুক্রবার এগিয়ে যায় টিফিনের সময়! এনিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে বারাসতের বাদুর গুস্তিয়া ক্ষেত্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে। নির্ধারিত সময়ের আগে টিফিন কেন? এই প্রশ্ন ঘিরেই শুক্রবার উত্তেজনা ছড়ায় বিদ্যালয় চত্বরে। অভিযোগের ভিত্তিতে স্কুলে পৌঁছায় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। প্রধান শিক্ষক সুব্রত ঘোষের কাছে জবাবদিহি চান তাঁরা। টিফিনের সময় নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ তুলেছে সংগঠন। অভিযোগ, প্রতি শুক্রবারই নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটছে এই বিদ্যালয়ে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, দুপুর একটার পরে টিফিন হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই পড়ুয়াদের ছুটির ঘণ্টা বাজছে। শুক্রবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের পর টিফিনের ঘোষণা শুনে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্কুলে যান হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। তাঁদের বক্তব্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সময়সূচি মেনে চলার ক্ষেত্রে এমন বিচ্যুতি কেন, তার ব্যাখ্যা প্রয়োজন। স্কুলে পৌঁছে প্রথমেই টিফিনের সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সংগঠনের সদস্যরা। পরে তাঁরা প্রধান শিক্ষক সুব্রত ঘোষের সঙ্গে কথা বলেন। নিয়মের আগে টিফিনের ঘোষণা কেন করা হচ্ছে, তা জানতে চান। এই কথাবার্তাকে কেন্দ্র করেই বিদ্যালয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিতর্ক অবশ্য শুধু টিফিনের সময় নিয়েই আটকে থাকেনি। বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। সংগঠনের সদস্য সুজন মিস্ত্রি বলেন, আমরা স্কুলে এসে দেখলাম, টিফিনের সময় ১২টা ১০ মিনিটে করা হল। এটা কেন হবে? সারা রাজ্যে এক নিয়ম আর সেই স্কুলে আলাদা হবে কেন? এছাড়া তাঁর আরও অভিযোগ, কয়েকজন শিক্ষক পড়ুয়াদের ভুল শিক্ষা দিচ্ছেন। দুই অভিযোগেরই পরিপ্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক সুব্রত ঘোষ। শুক্রবার নির্ধারিত সময়ের আগে টিফিনের ঘোষণা হওয়ার বিষয়টি নিয়মবিরুদ্ধ বলে তিনিও স্বীকার করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে এমন ঘটনা কাম্য নয় ।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement