আইএমএ রাজ্য শাখার নির্বাচনে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়শেনের (আইএমএ) রাজ্য শাখার নির্বাচনে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অভিযোগ, ২০১৪ সাল থেকে আইএমএ’র নির্বাচন সংক্রান্ত সংবিধানে একটি ভুয়ো সংশোধন এনে তা ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়। ওই সংশোধনী দেখিয়ে বছরের পর বছর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শাখার নির্বাচন হয়েছে। এনিয়েই মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, যে সংশোধনী আনা হয়েছিল, তাতে স্বীকৃতি দেয়নি আইএমএ সেন্ট্রাল ওয়ার্কিং কমিটি। তা কর্যকর হতে পারে না। ফলে ২০২৭ সাল থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত কার্যকালের জন্য আইএমএ’র রাজ্য শাখার যে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল, তাতে স্থগিতাদেশ জারি করা হচ্ছে। 

Advertisement

মামলাকারী চিকিৎসক ডাক্তার দেবাশিস দেবাংশীর আইনজীবী অনিন্দ্য লাহিড়ী শুনানিতে একাধিক তথ্য পেশ করে উল্লেখ করেন, ২০১২ সালের ২২ এপ্রিল আইএমএ’র ওয়াকিং কমিটি রাজ্য শাখার নির্বাচন সংক্রান্ত সংবিধান অনুমোদন হয়েছিল। ওই সংবিধান অনুযায়ী রাজ্য শাখার নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু ২০১৪ সালে অবৈধভাবে সেই সংবিধানে সংশোধন করা হয়, যার কোনো অনুমোদন আইএমএ’র ওয়ার্কিং কমিটি দেয়নি। এরপর ওই সংশোধনীকে অবৈধভাবে ওয়েবসাইটে আপলোড করে নির্বাচন করা হচ্ছিল। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে যাবতীয় তথ্য যাচাই করে আইএমএ রাজ্য শাখার আসন্ন নির্বাচনে স্থগিতাদেশ জারি করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। এ বিষয়ে আইএমএ রাজ্য সম্পাদক ডাঃ শান্তনু সেন বলেন, ‘আইনি লড়াই আইন মেনেই হবে। ২০১২-এর সংবিধান অনুযায়ী মাত্র ১৫০ জন ব্রাঞ্চ সেক্রেটারি ভোট দিতেন। ২০১৪-এর  সংবিধান অনুযায়ী প্রতি নির্বাচনে ৭৫০ জন ভোটারের প্রত্যেকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। কোনটা বেশি গণতান্ত্রিক, সহজেই বোঝা যায়।’ মামলাকারীর সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘উনি নিজে ২০১৪-এর সংবিধান মেনে হওয়া নির্বাচনে লড়াই করে পদাধিকারী হয়েছেন। এবারও প্রার্থী হয়েছেন। তিনিই আবার সংবিধানকে অবৈধ বলছেন, এটা হাস্যকর।’