খাদ্য সুরক্ষা সূচকে ষষ্ঠস্থানে  উন্নীত বাংলা, খুশি হাইকোর্ট
  • ৬ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খাবারে ভেজাল ও কৃত্রিম রঙের ব্যবহার ঠেকাতে এবং খাবারের গুণগতমান নিয়মিত যাচাই কাজে তৎপর রাজ্য সরকার। এনিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। কাঁচা সবজি, মাছ, মাংস, দুধ, ফল, রাস্তার খাবার, মিষ্টি জাতীয় খাবারে ভেজাল ও বিভিন্ন পানীয় দ্রব্যে কৃত্রিম রঙের ব্যবহার হচ্ছে। এতে শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেকেই ক্ষতিগ্রস্ত। এই অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলাতেই এব্যাপারে রাজ্যের পদক্ষেপ নিয়ে রিপোর্ট জমা পড়ে। তা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে ডিভিশন বেঞ্চ। রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, খাদ্য সুরক্ষা সূচকে ষষ্ঠস্থানে উঠে এসেছে বাংলা। আদালতের নির্দেশ, এই বিষয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরকে তৎপর থাকতে হবে। চালু রাখতে হবে নিয়মিত খাদ্যপণ্যের মান ও শুদ্ধতা যাচাই। খাদ্যদ্রব্য ব্যবসায়ীদের কোনও ত্রুটি বা গলদ থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। আদালত জানিয়েছে, খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরে কর্মীর যাতে অভাব না হয়, তার জন্য পদ শূন্য থাকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই শূন্যপদে নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। আদালতে রাজ্যের আইনজীবী জানান, খাদ্যপণ্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণে রাজ্যের জেলা, পুরসভা ও ব্লক স্তরে মোট ১৭৬ জন ফুড সেফটি আধিকারিক রয়েছেন, জেলাগুলিতে আধিকারিক রয়েছেন ২৮ জন এবং তিনজন রাজ্য খাদ্যদ্রব্য তদন্তকারী আধিকারিক রয়েছেন। ফুড সেফটি অফিসাররা প্রতিমাসে ন্যূনতম ২৫টি খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠান। খাদ্যের মান নির্ণয় করতে নতুন একটি মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব চালু করা হয়েছে এবং আরো তিনটি নির্দিষ্ট পরীক্ষাগার তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।

Advertisement