নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কলকাতা সহ গোটা বাংলাকেই আদতে পূর্ব ভারতের ‘ট্রেন্ড সেটার মার্কেট’ বলে মনে করছে হিরো মোটোকর্প গ্রুপ। পাশাপাশি সংস্থার আশা, রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারের উদ্যোগে বাংলায় ‘হিরো’র বিক্রি এবং ব্যবসা আগামী দিনে আরও বৃদ্ধি পেতে চলেছে। ‘বর্তমান’-এর সঙ্গে একটি একান্ত আলাপচারিতায় হিরো মোটোকর্প গ্রুপের ভারতের দায়িত্বে থাকা চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) আশুতোষ ভার্মা স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘গত বছরের তুলনায় এবার উৎসবের মরশুমে বাংলায় হিরোর বিক্রি লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে পরবর্তী দু’তিন বছরে পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা আরও বাড়বে।’ তবে বাংলার ক্ষেত্রে যে শুধুমাত্রই কলকাতা কিংবা সংলগ্ন শহর ও শহরতলির উপর ফোকাস করা হচ্ছে, তা মোটেও নয়। আশুতোষ বলেন, ‘কলকাতা তো আমাদের ব্যবসার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেই। কিন্তু একইসঙ্গে রুরাল বেঙ্গল, অর্থাৎ গ্রামবাংলার দিকেও আমরা বিশেষভাবে ফোকাস করছি। রাজ্যের গ্রামাঞ্চলে হিরোর বিক্রি অনেকটাই বেড়েছে। গ্রামবাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন হয়েছেন। তাঁরা যেমন ইদানীং নথিভুক্ত সার্ভিস সেন্টারেই আসছেন। তেমনই বৈদ্যুতিক স্কুটার, বাইক কেনার কথাও চিন্তাভাবনা করছেন।’
এপ্রেক্ষিতেই ‘ট্রেন্ড সেটার মার্কেট’-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন ওই শীর্ষ পদাধিকারী। তিনি বলেন, ‘সারা দেশের নিরিখে ৪০ শতাংশ ব্যবসা আমাদের হয় বাংলায়। দেশব্যাপী হিরোর ব্যবসা এক বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ছ’শতাংশ। বাংলাতেও এই বৃদ্ধি প্রায় দু’অঙ্কে পৌঁছে গিয়েছে।’ এমনকি এখন ধনতেরসেও অনেক বেশি মানুষ ‘হিরো’র প্রোডাক্ট কেনার দিকে ঝুঁকছেন। আশুতোষের দাবি, ‘হিরো’র ‘গ্ল্যামার’-এর চাহিদাই সবথেকে বেশি। এরপরে রয়েছে ‘জুম’, ‘ডেস্টিনি’ এবং ‘এক্সসেন্ট’। বাংলায় এই মুহূর্তে হিরোর ৪০টি ডিলার এবং ১৫০টি অ্যাসোসিয়েট ডিলার আছে।



