নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক ও বহরমপুর: রেজিনগরে রেকর্ড ভোটে জয়ী বিজেপি। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর রেকর্ড ভাঙলেন হাসিরানি রথ। প্রায় দেড় লক্ষের বেশি ভোটে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী। অন্যদিকে, রেজিনগরে প্রায় ৮০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার।
নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন প্রায় ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২৭ ভোট। অন্যদিকে কংগ্রেস প্রার্থী পেয়েছেন প্রায় ৪১ হাজার ভোট। রেজিনগরে সংখ্যালঘুরাও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দেওয়া ‘বন্ধুত্বের অফার’ গ্রহণ করেছেন। বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার পেয়েছেন প্রায় ৮৮ হাজার ৯১৯ ভোট। অন্যদিকে আজুপ প্রার্থী রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। গোলাম নবি আজাদের প্রাপ্ত ভোট প্রায় ৩৩ হাজার ৩৩৬।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের মানুষকে ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে মমতা-তৃণমূল এবং ঋতব্রত তৃণমূল শিবিরকেও তীব্র আক্রমণ করে বলেন, বাংলার মানুষ পচা শামুকে আর পা কাটতে চান না। মমতাকে নিশানা করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে কংগ্রেসকে কত গালাগাল করেছিলেন, সেই কংগ্রেসকেই সাপোর্ট করেছেন, কে বিশ্বাস করবে আপনাকে?’
অন্যদিকে নির্বাচনের পরের দিনই নওদার বিধায়ক তথা আজুপ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর কাঁদতে কাঁদতে বলেন, তিনি রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেবেন। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কে পার্টি করবে, কে করবে না, গণতন্ত্রে তাঁর নিজস্ব অধিকার রয়েছে। এই বিষয়ে কিছুই বলার নেই। উনি আমার সহকর্মী, কেন তুচ্ছ তাচ্ছিল ব্যঙ্গ করব? একসময়ে ৭০ শতাংশের দম্ভ দেখিয়েছিলেন। এসব আর বাংলায় চলে না। এটা সবে শুরু, এখনও অনেক কিছু বাকি আছে। ইয়ে তো আভি তক ঝাঁকি হ্যায়, আভি বহত কুছ বাকি হ্যায়।’



