নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের সচিবালয় (সেক্রেটারিয়েট) অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তর কর্মীদের ইচ্ছামতো কোনো ডিরেক্টরেট বা রিজিওনাল অফিসে বদলি করতে পারবে না। বদলি করার আগে বিষয়টি কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তরকে জানিয়ে তাদের অনুমোদন নিতে হবে। কর্মিবর্গ দপ্তর থেকে এই ব্যাপারে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সচিবালয়ে এলডিএ থেকে উপরের স্তরে কর্মীদের কমন ক্যাডার আছে। সাধারণত কর্মীদের বদলি সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে হয়। এই ব্যবস্থা বহু বছর ধরে চললেও এর পরিবর্তন করা হয় পূর্বতন জমানায়। সচিবালয়ের অনেক কর্মীকে বদলি করে (ডিটেলমেন্ট) জেলা, এমনকি ব্লক স্তরের অফিসেও পাঠানো হয়। যদিও তাঁদের বেতন দেওয়া হত সচিবালয়ের অফিস থেকেই। কর্মী সংগঠনগুলির অভিযোগ ছিল, পূর্বতন জমানায় বিরোধী সংগঠনের সমর্থক ও নেতাদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবেই এমন বদলি করা হত। শুধু বামপন্থী কর্মী সংগঠনই নয়, শাসক দলের প্রভাবিত সংগঠনেরও একাধিক ‘অবাধ্য’ নেতাকে এভাবে বদলি করা হয়েছিল। কলকাতার সচিবালয় থেকে উত্তরবঙ্গের প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার ব্লক অফিসে কর্মী বদলি হয়েছেন। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ওই কর্মীদের অনেকে সচিবালয়ে ফিরেও এসেছেন। আবার সরকার পরিবর্তনের পর আগের শাসক দলের প্রভাবিত সংগঠনের এক শীর্ষ নেতাকে একই পদ্ধতিতে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় থেকে দার্জিলিংয়ের ব্লক অফিসে বদলি করা হয়েছে। রাজ্য কর্মী সংগঠনের অন্যতম নেতা মনোজ চক্রবর্তী মনে করেন, প্রতিহিংসামূলক বদলি বন্ধ হওয়া দরকার। অন্যথায় কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হয়। যথেচ্ছ বদলি বন্ধ করাই উচিত।



