Bartaman Logo
১ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

গিলের দ্বিশতরান, রোহিতের সেঞ্চুরি, সিরিজ নিশ্চিত টিম ইন্ডিয়ার, চারশোর বেশি রান তাড়া করে জয়ী ভারত

শুভমান গিলের মারমার কাটকাট দ্বিশতরান। আর রোহিত শর্মার দাপুটে সেঞ্চুরি। দুই ওপেনারের প্রতাপে ৪০৬ রানের টার্গেটও হেলায় টপকে গেল ভারত।

গিলের দ্বিশতরান, রোহিতের সেঞ্চুরি, সিরিজ নিশ্চিত টিম ইন্ডিয়ার, চারশোর বেশি রান তাড়া করে জয়ী ভারত
  • ১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

গুয়াহাটি: শুভমান গিলের মারমার কাটকাট দ্বিশতরান। আর রোহিত শর্মার দাপুটে সেঞ্চুরি। দুই ওপেনারের প্রতাপে ৪০৬ রানের টার্গেটও হেলায় টপকে গেল ভারত। একদিনের ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় দল হিসাবে চারশোর বেশি রান তাড়া করে সাফল্য পেল মেন-ইন-ব্লু। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার ছুড়ে দেওয়া ৪৩৫ রানের চ্যালেঞ্জ নাটকীয়ভাবে অতিক্রম করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা (৪৩৮-৯)। বুধবার ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে সিরিজের দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বশ মানাতে গিলদের অবশ্য কোনোরকম বেগ পেতে হয়নি। গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে ৩৯ বল বাকি থাকতে জয় এল ৮ উইকেটে। পাশাপাশি, তিন ম্যাচের সিরিজও ২-০ এগিয়ে গিয়ে পকেটে পুরল টিম ইন্ডিয়া। শনিবার নিয়মরক্ষার তৃতীয় ম্যাচ নিউ চন্ডীগড়ে।

Advertisement

রবিবার প্রায় তিনশো রানের লক্ষ্য তাড়া করে অনায়াসে এসেছিল জয়। এদিন চারশো প্লাস রানও চাপে ফেলতে পারেনি ভারতকে। আসলে ওপেনিংয়েই ২৫৫ তুলে ফেলেন গিল-রোহিত। কেরিয়ারের ৩৫তম ওডিআই শতরান করতে হিটম্যান নেন মাত্র ৭২ বল। এই ফরম্যাটে সপ্তম ক্রিকেটার হিসাবে ১২ হাজার রানের গণ্ডিও পেরোন ৩৯ বছর বয়সি মহাতারকা। মুম্বইকরের ইনিংস সাজানো ১০টি চার ও ৬টি ছক্কায়। তবে তাঁকে ছাপিয়ে দিনের নায়ক অতি অবশ্যই গিল। ৬২ বলে সেঞ্চুরির পর দ্বিশতরানে পৌঁছাতে তিনি নেন ১১৭ বল, যা দ্রুততম। ঈশান কিষানকে (১২৬ বল) টপকে গেলেন গিল। উল্লেখ্য, এটি তাঁর দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। বিরাট কোহলি (২৯) ফেরার পর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (অপরাজিত ৩১) সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করে ফেরেন গিল। অপরাজিত থাকেন ২২৩ রানে। ১৩৩ বলের ইনিংসে তিনি মারেন ২৬টি চার ও ৮টি ছক্কা।
দুপুরে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অবশ্য ফের ভারতীয় বোলিংয়ের অনভিজ্ঞতার সুযোগ নিয়েছিল। প্রথমবারের জন্য একদিনের ক্রিকেটে চারশোর গণ্ডি টপকায় তারা। তিন ক্যারিবিয়ানের সেঞ্চুরির সামনে অসহায় দেখাচ্ছিল টিম ইন্ডিয়ার বোলারদের। ওপেনার জন ক্যাম্পবেল ৬৮ বলে করেন বিধ্বংসী ১০১। তিনে নামা ক্যাপ্টেন শাই হোপের সংগ্রহ ৯৪ বলে ১০৪। আমির জানগোও তোলেন ঝড়। তাঁর ১১৪ আসে ৭৭ বলে। 
পিচ যতই পাটা হোক, ভারতীয় বোলিং নিয়ে উদ্বেগ থাকলই। টানা দুটো একদিনের ম্যাচে নতুন বলে ব্যর্থ পেসাররা। এশিয়ান গেমসের জন্য জাপানে থাকা যশপ্রীত বুমরাহর অনুপস্থিতিতে স্ট্রাইক বোলার বলতে একমাত্র কুলদীপ যাদব। চায়নাম্যান দুটো উইকেটও নেন। ২০০ উইকেটে তিনি দ্বিতীয় দ্রুততম ভারতীয়। কিন্তু উলটোদিক থেকে কাউকেই ভরসাযোগ্য ঠেকল না। গুরনুর ব্রার দশ ওভারে দিলেন ৯৬। অভিষেককারী আকিব নবি ৮.৫ ওভারে দেন ৮৪। বেরিয়ে যাওয়ার আগে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ওভারপ্রতি খরচা করেন ৯ রান। রবীন্দ্র জাদেজার উপহার ৭৫। মাঝের ওভারে ভাঙন ধরানোর ক্ষমতা হারিয়েই ফেলেছেন জাড্ডু।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪০৫-৭ (জানগো ১১৪, হোপ ১০৪, ক্যাম্পবেল ১০১, কুলদীপ ২-৬৫)। ভারত ৪৩.৩ ওভারে ৪০৬-২ (গিল অপরাজিত ২২৩, রোহিত ১০১)।   ভারত জয়ী ৮ উইকেটে  ম্যাচের সেরা- গিল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ