Bartaman Logo
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাঝরাতে ভূতের চিৎকার! রাস্তায় বিক্ষোভ পড়ুয়াদের, ধুন্ধুমার পাঞ্জাবের বেসরকারি হস্টেলে

হস্টেলে আত্মহত্যা করেছিলেন এক ছাত্রী। তাঁর ‘ভূত’ এখন হস্টেলে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

মাঝরাতে ভূতের চিৎকার! রাস্তায় বিক্ষোভ পড়ুয়াদের, ধুন্ধুমার পাঞ্জাবের বেসরকারি হস্টেলে
  • ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অমৃতসর: হস্টেলে আত্মহত্যা করেছিলেন এক ছাত্রী। তাঁর ‘ভূত’ এখন হস্টেলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন ‘গুজব’কে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাতে পঞ্জাবের পাতিয়ালার চিটকারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। পুলিশ আসায় পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়। বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের একাংশ পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুরে চালায় বলে অভিযোগ। 

Advertisement

ঘটনার কেন্দ্রে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো কিছু ভিডিয়ো। যেখানে দাবি করা হয়েছে চিটকারা বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে ভূত ঘুরছে। এই গুজবের জেরে শুক্রবার রাতে হস্টেল ছাড়েন পড়ুয়ারা। রাস্তায় নেমে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। বিক্ষভোকারীদের দাবি, অতৃপ্ত আত্মা হস্টেলে ঘুরছে। মাঝরাতে ভেসে আসছে চিৎকার। আবাসিকরা আতঙ্কে ভুগছেন। তাঁরা নির্দিষ্টভাবে জানিয়েছেন, মেয়েদের হস্টেল থেকেই রোজ চিৎকারের শব্দ শোনা যাচ্ছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই দাবি খারিজ করেছে। তাদের বক্তব্য, হস্টেলে কোনো আত্মহত্যা বা মৃত্যুর ঘটনাই ঘটেনি। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবিগুলি মিথ্যা। তার কোনো তথ্যগত ভিত্তি বা প্রমাণ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে হস্টেলের এক অসুস্থ ছাত্রীর জন্য হস্টেলে অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল। তার সঙ্গে কারও মৃত্যুর সম্পর্ক নেই। পালটা পড়ুয়াদের দাবি, কিছুদিন আগে এক পণ্ডিতকে মেয়েদের হস্টেলে ঢুকতে দেখা গিয়েছে।  সেই বিষয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তি তাঁর পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। 
শুক্রবার হস্টেলে হাজির হয় পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে পড়ুয়াদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সেই সময় একটি সরকারি পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এছাড়া সিটি রাজপুরার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অজয় কুমারকে পড়ুয়ারা হেনস্থা করেন বলেও অভিযোগ। পালটা পড়ুয়াদের অভিযোগ তিনি মদ্যপ ছিলেন। পরে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এবং পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন। পড়ুয়াদের একাংশ দাবি করেছিলেন, দুই ছাত্রী নিখোঁজ। এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘আমরা এখানে পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু কে নিখোঁজ, তা কেউ জানে না। এমনকি নিখোঁজ দুই ছাত্রীর নামও তাঁরা জানেন না।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ