লখনউ: জুনে ভারতের টি-২০ দলের ক্যাপ্টেন হওয়ার পর বড়ো রান আসছিল না শ্রেয়স আয়ারের ব্যাটে। মাত্র দু’বার পঞ্চাশের গণ্ডি পেরোন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে রবিবার একানা স্টেডিয়ামে ম্যাচ জেতানো এই সেঞ্চুরি সেজন্যই স্বস্তির। মাত্র ৪৩ বলে ১০টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ১০২ করেন তিনি। কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর এরপরই প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মুম্বইকরকে। সানি বলেন, ‘শ্রেয়স অসাধারণ খেলল। অপ্রতিরোধ্য লাগছিল ওকে। ক্যারিবিয়ান বোলাররা যে লাইন-লেংথেই বল করুক না কেন, শ্রেয়সের কাছে তার জবাব ছিল। অধিনায়ক হওয়ার পর বড়ো রান পাচ্ছিল না। সম্প্রতি দল জিতলেও ওর ফর্ম নিয়ে উদ্বেগ দেখা গিয়েছিল। সেজন্যই এই ইনিংসটা প্রয়োজন ছিল। সিরিজের শুরুতেই দারুণভাবে ম্যাচ জেতাল। এই শতরান সোশ্যাল মিডিয়ায় ওঠা যাবতীয় প্রশ্ন থামিয়ে দেবে। ও যে সেরা ফর্মে ফিরেছে, তারই জোরালো ইঙ্গিত এদিনের সেঞ্চুরি।’
স্বয়ং শ্রেয়স যদিও আবেগে ভাসছেন না। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে তিনি বলেছেন, ‘নিজের দিনে ম্যাচ শেষ করে আসা উচিত। আমি ঠিক সেটাই করেছি। আগের কয়েকটা ম্যাচে অন্য ব্যাটসম্যানরা জিতিয়েছে। সার্বিকভাবে এই জয় এসেছে দাপটে। এই মানসিকতা নিয়ে আমরা যদি খেলতে থাকি, টি-২০ ক্রিকেটে সবচেয়ে ধংসাত্মক দলগুলোর অন্যতম হয়ে উঠব।’ এই শতরান তাঁর কাছে স্বপ্নপূরণ। শ্রেয়সের মতে, ‘সত্যি বলতে, দেশের হয়ে প্রথম টি-২০ শতরানের কথা ভাবছিলাম। সেটাই সত্যি হল। তার মানে স্বপ্ন সত্যি হয়।’
লখনউয়ে বোলিংয়ে নজর কেড়েছেন অলরাউন্ডার নমন ধীর। এই ফরম্যাটে অভিষেকেই অফস্পিনে তিন উইকেট নেন তিনি। তবে ব্যাট হাতে মাঠে নামার সুযোগ পাননি। তাঁর কথায়, ‘বোলিংয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি। কন্ডিশন বুঝে আমি মন্থর গতিতে বল করেছি। সেটাই কাজে এসেছে। এবার ব্যাটিংয়ে দলের কাজে আসতে চাই।’ উল্লেখ্য, পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ করার লক্ষ্যে শুক্রবার রাঁচিতে নামবে শ্রেয়স ব্রিগেড।