Bartaman Logo
২ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গঙ্গাসাগরের ১-৬ নম্বর সমুদ্রতট ভেঙে তছনছ, তর্পণ নিয়ে সংশয়

হাতে আর কয়েকটি দিন। তারপরেই মহালয়া। এই তিথিতে গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান ও কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দিয়ে মনস্কামনা পূরণের আশায় লক্ষাধিক মানুষের ঢল নামে। এ এক প্রাচীন ঐতিহ্য।

গঙ্গাসাগরের ১-৬ নম্বর সমুদ্রতট  ভেঙে তছনছ, তর্পণ নিয়ে সংশয়
  • ২ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: হাতে আর কয়েকটি দিন। তারপরেই মহালয়া। এই তিথিতে গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান ও কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দিয়ে মনস্কামনা পূরণের আশায় লক্ষাধিক মানুষের ঢল নামে। এ এক প্রাচীন ঐতিহ্য। তবে মহালয়ার স্নানকে কেন্দ্র করে এবছর তৈরি হয়েছে সংশয় ও উদ্বেগ। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গঙ্গাসাগরের ১ থেকে ৬ নম্বর সমুদ্রতটের পুরোটাই ভেঙেচুরে তছনছ হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবছরই দুর্যোগের সময় এই সি-বিচ কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সাধারণত গঙ্গাসাগর মেলার সময় জোড়াতাপ্পি দেওয়া হয় অথবা মেরামত করা হয় সার্বিকভাবে। কিন্তু এবার প্রাকৃতিক তাণ্ডবের রূপ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, সাগরের এই তটের দশা হয়েছে করুণ। এখন তা ফুটে উঠেছে তীব্রভাবে। 

Advertisement

সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে কংক্রিটের ভাঙা স্ল্যাব এবং শালবল্লার খুঁটি। জোয়ারের জলে এগুলি ডুবে থাকে। তখন পুণ্যার্থীদের পায়ে মারাত্মক আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে জের। একাধিক স্থানে উপড়ে পড়ে রয়েছে বিদ্যুতের পরিত্যক্ত ভারী খুঁটি। আবার কোথাও বহু পুরানো ও বিশাল আকারের গাছও পড়ে আছে। তাতে অবরুদ্ধ পথঘাট। ঢালাইয়ের রাস্তা সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। ঢালাই করা অংশগুলি বিশাল পাথরের চাঁইয়ের মতো চারিদিকে ছড়িয়ে রয়েছে। তাতে পুরো চত্বর চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় সেখানে পুণ্যার্থীদের স্নান করাতে নিয়ে গেলে যেকোনো মুহূর্তে বড়ো ধরনের বিপদের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল বলেন, এই বিষয়ে আমাদের একটি বৈঠক হবে। নিরাপদ বিকল্প উপায় সন্ধান করছি আমরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ