নয়াদিল্লি: ডিজিটাল রাইটস অ্যান্ড চাইল্ড সেফটি। এনিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। শিশুদের উপর ইন্টারনেট ব্যবহারের খারাপ প্রভাব নিয়েও প্রায়শই সতর্কবার্তা শোনায় একাধিক সংস্থা। এরইমাঝে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। শীর্ষ আদালতের বক্তব্য, নিরাপত্তার যুক্তি খাড়া করে খুদেদের সম্পূর্ণভাবে ইন্টারনেট থেকে দূরে রাখা যাবে না। তাদের ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। এটি তাদের মৌলিক অধিকার। দেশের সংবিধানের ২১ ও ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদ সেকথাই বলছে। তবে ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের পক্ষে সওয়াল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, সম্পূর্ণভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি না করে আরও সুনির্দিষ্ট ও প্রযুক্তি-নির্ভর সুরক্ষাব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
১৫ অক্টোবর এক এনজিও-র দায়ের করা মামলায় শীর্ষ আদালতের বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা ও কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ জানিয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাধীনতা ও অধিকার বজায় রাখতে হবে। এক্ষেত্রে একটি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘চাইল্ড মোড’ ফিচার চালু করতে হবে। যাতে শিশুরা তাদের বয়স অনুযায়ী সঠিক ও তথ্যসমৃদ্ধ কনটেন্ট পায়। একটি ডেটা বেস তৈরি করতে হবে। যার মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া সহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে শিশুদের যৌন নির্যাতন ও শোষণ সংক্রান্ত ছবি, ভিডিয়ো দ্রুত চিহ্নিত করে সরিয়ে ফেলা যায়। শুনানি চলাকালীন সোশ্যাল মিডিয়াগুলির তীব্র সমালোচনা করেছে শীর্ষ আদালত। আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, এখনও যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণে ব্যর্থ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি।। এক্ষেত্রে হ্যাশ ম্যাচিং, ইউআরএল লিস্টিং সহ নানা প্রযুক্তিগত পদক্ষেপের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



