নয়াদিল্লি: বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা, চিকিৎসা থেকে আইনি সহায়তা। আটক প্রতিবাদীদের সাহায্যে নয়া উদ্যোগ। স্বেচ্ছাসেবক, চিকিৎসক, আইনজীবী ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের সমন্বয়ের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে অভিনব নেটওয়ার্ক।
দিল্লি পুলিশের ধরপাকড়ে আটক হওয়া প্রতিবাদী ও তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ব্যক্তিগত স্তরে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছেন অনেকেই। আবার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠীও সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে এসেছে। প্রয়োজনীয় সাহায্য নিয়ে যথাস্থানে পৌঁছে যাওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আর্জি জানাচ্ছে তাঁদের এই নেটওয়ার্ক। সিজেপির এক স্বেচ্ছাসেবক একটি পোস্টে জানিয়েছেন, এই নেটওয়ার্কের আওতায় ১৩০ জনেরও বেশি কাজ করছেন। আটক প্রতিবাদীদের মুক্তির পর বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থাকে নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিটেইনি ঘর ওয়াপসি যোজনা’। এর মাধ্যমে বাড়ি ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবহণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ‘ইমিডিয়েট রেন্সপন্স ফার্স্ট এইড নেটওয়ার্ক’ বা ইরফান-এর মাধ্যমে জখম প্রতিবাদীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা চলছে। এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছেন বিভিন্ন চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবী। ট্রমার শিকার হওয়া বিক্ষোভকারীদের মানসিকভাবে সহায়তার জন্য কাজ করছে ‘পজ’। আটক প্রতিবাদী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের আইনি সহায়তার জন্য লিগ্যাল এইড-এর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সংগঠিত উদ্যোগের সঙ্গে ব্যক্তিগত স্তরেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন বহু মানুষ। নিজেকে চিকিৎসক বলে দাবি করে অনলাইনে একজন লেখেন, বাংলা সাহিব গুরুদ্বারের কাছে আছি। কোনো প্রতিবাদী জখম হয়ে থাকলে যোগাযোগ করতে পারেন।



