Bartaman Logo
৫ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এনবিইউ-র প্রাক্তনী সমিতির রজত জয়ন্তী বর্ষে হাজির চার মন্ত্রী, উপাচার্য সহ একাধিক সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছে সরকার, জানালেন শংকর

উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রজত জয়ন্তী বর্ষের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছাড়াও রাজ্যের তিন মন্ত্রীর উপস্থিতি যেন ক্যাম্পাসে বসল চাঁদের হাট

এনবিইউ-র প্রাক্তনী সমিতির রজত জয়ন্তী বর্ষে হাজির চার মন্ত্রী, উপাচার্য সহ একাধিক সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছে সরকার, জানালেন শংকর
  • ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বাগডোগরা: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রজত জয়ন্তী বর্ষের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছাড়াও রাজ্যের তিন মন্ত্রীর উপস্থিতি যেন ক্যাম্পাসে বসল চাঁদের হাট। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ডিগ্রি অর্জন করেছেন এই চার মন্ত্রী। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ বোটানি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পাঠ নিয়েছেন। তাই এদিন তাঁদের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এদিকে, রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন ও অর্থ ও পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা দূর করতে আশ্বাস দেন চার মন্ত্রীই। 

Advertisement

রবিবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-ভানু মঞ্চে প্রাক্তনী সমিতির রজত জয়ন্তী বর্ষ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মন্ত্রীরা। সেইসঙ্গে একাধিক বইয়ের আবরণ উন্মোচন করেন তাঁরা। প্রাক্তনী সমিতির সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন, ২৫ বছর আগে ন্যাক টিম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করতে এসেছিল। তারা বলেছিল এখানে প্রাক্তনীদের সমিতি নেই কেন। তারপরই ৭ দিনের মধ্যে তৈরি হয় এই সমিতি। করোনা থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগে উত্তরবঙ্গ ও পাহাড়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রাক্তনীরা। 
কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে প্রাক্তনী সমিতির প্রচুর ভূমিকা রয়েছে। তবে এখনও মনে হচ্ছে অনেকটা ক্ষীণ রয়েছে এই সমিতি। এদিন চার মন্ত্রী উপস্থিত থাকলেও দর্শক আসন ছিল প্রায় ফাঁকা। এনিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, আগামীতে এই সমিতিকে আরও বড়ো তৈরি করতে হবে। যাতে এই কক্ষের একটি আসনও ফাঁকা না থাকে। 
এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এনইপি ২০২০ শুরু হতে চলেছে। মাল্টি ডিসিপ্লিনারি শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। যাতে যুবক-যুবতীরা শুধু চাকরি খুঁজবেন না, চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা তৈরি করবেন। মন্ত্রী শংকর ঘোষ বলেন, আমার কয়েকমাসের অভিজ্ঞতায় দেখেছি রাজ্যের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য না থাকা সহ একাধিক সমস্যা রাজ্য সরকার মেটানোর চেষ্টা করছে। আগের রাজ্য সরকার শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়িয়েছে। পরিকাঠামো ও গুণমান বাড়াতে পারেনি। আমাদের সরকার এনিয়ে একাধিক চিন্তাভাবনা করছে। পদ্মশ্রী মহেন্দ্রনাথ রায় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সমরকুমার বিশ্বাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ