নয়াদিল্লি: তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানকে অপহরণ থেকে রক্ষা করে হিরোর মর্যাদা পাচ্ছেন ভারতীয় পাইলট ক্যাম্পেন স্মিত মচ্ছর। এরমধ্যেই ওই দিনের ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, ককপিটের দরজা খোলার পরই যাত্রীরা হামলাকারী কো-পাইলটকে পিছমোড়া করে বেঁধে ফেলেছিলেন। কিন্তু, তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য জোড়াজুড়ি করতে শুরু করেন বিমানের ক্রুমেম্বাররা। যদিও তাঁদের সেই আরজিতে কর্ণপাত করেননি যাত্রীরা। পালটা বলেন, একমাত্র পুলিশ এলেই হামলাকারী কো-পাইলটকে ছাড়া হবে।
সম্প্রতি ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম ৪৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ওমানের নাগরিক হামলাকারী কো-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি বিমানের মধ্যে হাঁটু গেড়ে বসে রয়েছেন। তাঁর হাত পিছন দিকে বাঁধা। জামাকাপড়ে রক্তের দাগ। এরমধ্যে কয়েকজন যাত্রীকে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। হামলাকারীকে মাটিতে ফেলে বেঁধে ফেলেছিলেন তিন যাত্রী। তাঁর মধ্যে ছিলেন তাজভিকা মানেস। তিনি বলেন, ‘ওরা (ক্রুমেম্বাররা) বারবার জঙ্গিকে মুক্ত করে দিতে বলছিল। কিন্তু, কেন? জানি না।’ ঘটনার দিন ককপিটের কাছেই দ্বিতীয় সারিতে বসেছিলেন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ড্যানিয়েল। তাঁর গলাতেও একই সুর শোনা গিয়েছে। বলেন, ‘জঙ্গিকে ছেড়ে দিতে জোড়াজুড়ি করছিল। তাতেই ওই বিমানকর্মীদের নিয়ে সন্দেহ হয়।’ এই ইস্যুতে ইজরায়েলি যাত্রীদের সঙ্গে ক্রু-মেম্বারদের বচসাও বেঁধে যায়। বিমানকর্মীরা যাত্রীদের বলেন, আপনারা ভগবান নন। ওঁকে (হামলাকারী পাইলটকে) মারবেন না। পালটা যাত্রীরা জনান, আমরা ওঁকে মারছি না। কিন্তু, উনি যাতে আমাদের কাউকে মারতে না পারেন, সেই ব্যবস্থা করছি। এরপরই যাত্রীরা সমবেতভাবে জানিয়ে দেন, পুলিশ না এলে হামামকে ছাড়া হবে না।