সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: শ্যামপুর ১ নম্বর ব্লকের আয়মায় কাঠের সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল। জরাজীর্ণ এই কাঠের সেতু দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে মানুষ যাতায়াত করতেন। মাস তিনেক আগে এলাকা পরিদর্শনের সময় সেতুর এই হাল দেখে সংস্কারের জন্য জেলাশাসককে চিঠি দিয়েছিলেন বিধায়ক হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়। কংগ্রেসও সেতুটি সংস্কারের দাবিতে সম্প্রতি বিডিওকে ডেপুটেশন দিয়েছিল। অবশেষে ওই সেতু সংস্কারের কাজ শুরু হল।
দামোদরের একটি শাখা গড়চুমুক হয়ে গঙ্গায় গিয়ে মিশেছে। অন্য শাখাটি আয়মা গ্রামের মধ্যে দিয়ে গিয়ে গঙ্গায় পড়েছে। আয়মায় দামোদরের ওই শাখার উপরে রয়েছে কাঠের সেতুটি। প্রতিদিন বেলড়ি, নবগ্রাম, ধান্দালি ও বালিচাতুরি— এই চারটি এলাকার মানুষকে বিভিন্ন কাজে শ্যামপুরে আসতে হলে এই সেতু পেরতে হয়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই সেতুটি জীর্ণ হয়ে পড়েছিল। পূর্বতন সরকারের আমলে দামোদর পারাপারের জন্য একটি ঢালাই সেতুর কাজ শুরু হলেও তা শেষ না হওয়ায় মানুষকে কাঠের সেতু দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। সোমবার স্থানীয় বালিচাতুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়। এ ব্যাপারে বিজেপির উলুবেড়িয়া দক্ষিণ ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি জগন্নাথ সাঁতরা বলেন, ঢালাই সেতুটি নির্মাণের কাজ এক বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। তবে যতদিন না সেটি তৈরি হচ্ছে, ততদিন কাঠের সেতু রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে যারা রয়েছে, তারাই সেই দায়িত্ব পালন করবে এবং আগের নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া নেবে।
কংগ্রেস নেতা আতিয়ার খান বলেন, আমরা সাতদিনের মধ্যে সেতুটি মেরামত করতে বলছিলাম, সেইমত কাজ শুরু হয়েছে। কাঠের সেতুর দায়িত্বে থাকা জয়ন্ত পাল বলেন, আমরা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চালিয়ে যাব। জনসাধারণের কাছে অনুরোধ, সুশৃঙ্খলভাবে সেতু পারাপার করবেন। নিজস্ব চিত্র