Bartaman Logo
৬ অক্টোবর, ২০২৬

‘অপরাধীদের মনে ভয় ধরাতে হবে’, লাগাতার ধর্ষণের ঘটনায় দিল্লি পুলিশকে বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

‘এবার কিছু করলেই মরতে হবে— অপরাধীদের মনে এমন ভয় তৈরি করা জরুরি। নয়তো ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ আটকানো যাবে না।’

‘অপরাধীদের মনে ভয় ধরাতে হবে’, লাগাতার ধর্ষণের ঘটনায় দিল্লি পুলিশকে বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
  • ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ‘এবার কিছু করলেই মরতে হবে— অপরাধীদের মনে এমন ভয় তৈরি করা জরুরি। নয়তো ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ আটকানো যাবে না।’ রাজধানীতে একের পর এক গণধর্ষণ সংক্রান্ত স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় সোমবার দিল্লি পুলিশকে এতটাই কঠোর হওয়ার বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট। স্বরূপনগর, সদরবাজার, কিষানগঞ্জ, কালকাজি— খাস দেশের রাজধানীতে কখনও স্লিপার বাসে, কখনও পার্কে একের পর এক গণধর্ষণের ঘটনায় গোটা দেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। রাজধানীতে মহিলাদের নিরাপত্তা কোথায়? এমন প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নিয়ন্ত্রণাধীন পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধেও সরব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। এনিয়ে সেপ্টেম্বরের শেষে উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্ভয়া কাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এবার সরাসরি পুলিশকে কড়া হাতে অপরাধ দমনের বার্তা দেওয়া হল শীর্ষ আদালতের তরফে।

Advertisement

এদিন মামলার শুনানিতে বিচারপতি জে বি পার্দিওয়ালা ও বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রন পুলিশের উদ্দেশে সাফ জানিয়েছেন, একসঙ্গে কাজ করতে হবে। দিল্লি-এনসিআরের প্রত্যেক মহিলা যেন রাত ১১ টার পরও রাস্তায় বা মেট্রোতে নিরাপদ বোধ করেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। সবার আগে অপরাধীদের মনে মৃত্যুর ভয় তৈরি করতে হবে। তাদের বোঝাতে হবে এই ধরনের ঘৃণ্য অপরাধ করলে মৃত্যু অবধারিত। পুলিশ-প্রশাসনের যথাযথ পরিকাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের সাফ বার্তা, শুধু কাগজ-কলমে লিখে রেখে কোনো লাভ হবে না। মাঠে নামতে হবে। আরও কঠোর হোন। কোনোরকম দ্বিধা করবেন না। যদি লাগাতার নজরদারি না করা হয়, তাহলে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে লাভ কী? প্রয়োজনে ওয়ার রুম তৈরি করা হোক। যে সমস্ত কলেজে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ আসে, সেখানে পুলিশকে নজর দিতে হবে। রেস্তরাঁ থেকে পার্ক সর্বত্র নজরদারি চালাতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ