Bartaman Logo
৫ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুজোর আগেই আমন ধান ঘরে তুলে মুর্শিদাবাদে স্বস্তিতে চাষিরা

পুজোর আগেই চাষিরা আমন ধান ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। এবার ধানের ফলন আর দাম দুইই তাঁদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে

পুজোর আগেই আমন ধান ঘরে তুলে মুর্শিদাবাদে স্বস্তিতে চাষিরা
  • ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: পুজোর আগেই চাষিরা আমন ধান ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। এবার ধানের ফলন আর দাম দুইই তাঁদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। চাষিদের বক্তব্য, আগে আমন ধানের এই বাজার কোনো দিন দেখা যায়নি। বিঘা প্রতি ১৮-১৯ মণ পর্যন্ত ফলন হচ্ছে। কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় ছাড়াই এবার মরশুমের শুরুতে নির্বিঘ্নে চাষিরা ফসল ঘরে তুলতে পারছেন। এটাও একটা বড়ো পাওনা। মুর্শিদাবাদ মূলত কৃষিপ্রধান জেলা। এই জেলায় চাষিরা আমন ধান তুলেই উৎসবের মরশুমে কেনাকাটা সারেন। কোনো কোনো বছর দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট এগিয়ে আসায় গ্রামের মানুষ কেনাকাটায় সমস্যায় পড়েন। এবার আশ্বিন মাসের শেষ এবং কার্তিকের শুরুতে পুজো পড়েছে। সেই হিসাবে চাষিরা আমন ধান ঘরে তুলতে যথেষ্ট সময়ও পাচ্ছেন। অধিকাংশ আলু চাষের জমির ধান পুজোর আগেই কাটা হয়ে গিয়েছে বলে দাবি চাষিদের। এবার বিজয়া দশমী পড়েছে বুধবার। বার হিসাবে দেবী দুর্গার গমন নৌকায়।  নৌকায় দেবীর গমন হলে সেবছর শষ্যশ্যমলা ও মঙ্গলের প্রতীক। আমনের ব্যাপক ফলনেই চাষিরা তার ফল হাতেহাতে পাচ্ছেন।  বড়ঞার কৃষক সাক্ষীগোপাল ঘোষের কথায়, এবার ধানের ফলন খুবই ভালো। আমনের জমি পর্যাপ্ত বৃষ্টির জল পেয়েছে। রোগ পোকার আক্রমণও ছিল না। আর এক কৃষক অনিমেষ পাল বলেন, অন্য বছর আমন ধান ওঠার মুখে ঝড়, বৃষ্টি হয়। ধান ঘরে তুলতে নাকাল হতে হয়। এবার নির্বিঘ্নে ধান ঘরে তুলতে পারছি। রবিবার খোলা বাজারে দু’হাজার টাকা কুইন্টাল দরে ধান বিক্রি হয়েছে। আড়তদাররা ধান কেনার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। টানের বাজারে ধানের গুনমাণ বিচারও কম হচ্ছে।  তবে পুজোর বাজারের জন্য যাঁদের টাকার প্রয়োজন তাঁরা খামারে ধান ঝড়িয়েই সরাসরি আড়তে নিয়ে যাচ্ছেন।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ