নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: প্রয়োজনীয় ওষুধ অমিল! শুধু বিক্রি হয় জল! তাই শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকানের সংস্থাকে শোকজ করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। অন্যদিকে, এই হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী জন ওষুধি কেন্দ্র এবং প্রধানমন্ত্রী অমৃত ওষুধালয়ের দু’টি কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। এজন্য রবিবার স্বাস্থ্যভবনের একটি দল হাসপাতাল পরিদর্শন করে। তারা একটি জায়গাও চিহ্নিত করেছে।
শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ন্যায্যমূলের ওষুধের দোকানের বিরুদ্ধে অভিযোগ বহুদিনের। অভিযোগ, জ্বর, সর্দির ওষুধ ছাড়া অন্য কিছু মেলে না। হৃদরোগ, প্রেশার, সুগার সহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ অমিল। এমনকী, অনেক সময় পেট খারাপের কিংবা ব্যথার ওষুধও মেলে না। এজন্য হাসাপাতালের বাইরে ওষুধের দোকানে ছুটতে হয় রোগীর আত্মীয়দের। এমন অভিযোগ মেলার পর সংশ্লিষ্ট দোকান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের সুপার ডাঃ চন্দন ঘোষ বলেন, ইতিমধ্যে ওই দোকানের দায়িত্বে থাকা সংস্থাকে শোকজ করা হয়েছে। এখনও তাদের কাছ থেকে উত্তর মেলেনি। বিষয়টি জেলা ও রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরে জানানো হবে। তারা যা নির্দেশ দেবে, সেইমতো পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দু’বছর আগে কলকাতার একটি সংস্থা ওই দোকান পরিচালনার দায়িত্ব পায়। আগামী ২০২৯ সাল পর্যন্ত তাদের অধীনে থাকবে ওই দোকান। এদিন ওই দোকানে গিয়ে দেখা যায়-দু’জন কর্মচারী। ওষুধের পাশাপাশি তাঁরা পানীয় জলের বোতল বিক্রি করছেন। সংশ্লিষ্ট সংস্থার অন্যতম কর্তা শম্ভু সাহা অবশ্য বলেন, ওষুধ কোম্পানিগুলি ওষুধ সাপ্লাই করতে পারে না। আর সরকার যে দর দেয়, তাতেও সব ওষুধ মেলে না। শোকজের উত্তর দেব।
এদিকে, হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী জন ওষুধি কেন্দ্র এবং প্রধানমন্ত্রী অমৃত ওষুধালয়ের দু’টি কাউন্টার চালু করা হবে। এজন্য এদিন স্বাস্থ্যভবন থেকে চার জনের একটি দল এখানে আসে। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের পর আউটডোরের সামনে একটি ফাঁকা জায়গাকে চিহ্নিত করেছে। ফিতে দিয়ে সেই জমি জরিপও করা হয়।
হাসপাতালের সুপার বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনওষুধি ও অমৃত ওষুধালয়ের দু’টি কাউন্টার চালুর জন্য এদিন জমি দেখল স্বাস্থ্যভবনের টিম। এখন যা করার স্বাস্থ্যভবন করবে।