বছরের এই সময়টা কী সুন্দর একটা গন্ধ চারদিকে ভেসে বেড়ায়। বছরের অন্য সময় এটা পাই না। এই গন্ধে একটা আলাদা মাদকতা রয়েছে, যা আচ্ছন্ন করে। আর কলকাতার পুজোতে যেন তা আরও দ্বিগুণ হয়। তাই পুজোর সময় কলকাতা ছেড়ে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। দুর্গোৎসব হচ্ছে মহৎসব। কলকাতার বাইরের মানুষ কলকাতায় এসে পুজো দেখেন। আমার মনে হয়, কলকাতা ছেড়ে যাওয়াটা একধরনের বোকামি। আমি কোনোদিন সেই বোকামি করতে চাই না। কোনো বছর দুর্গাপুজোয় কলকাতার বাইরে সেজন্য যাই না। এমনকী, বাইরে কাজ থাকলেও নিই না। আমার কাছে পুজো মানেই শাড়ি। পুজোর সাজ হবে খুব সিম্পল। সুন্দর একটা শাড়ি, চুলে একটা ফুল দিলে লুকটা অন্যরকম হয়ে যায়, চোখে একটু কাজল, ঠোঁটে এখটু লিপস্টিক আর কপালে একটা টিপ— ব্যাস, পুজোর লুক তৈরি। এবারে তো ড্রেসের সম্ভার রয়েছে দেখলাম। ইন্দো-ওয়েস্টার্নের এত ভালো ভালো কালেকশন চারদিকে। শাড়ি তো রয়েছেই, কেউ যদি অন্য কোনো পোশাকেও সাজ চায়, তাদেরও অসাধারণ দেখতে লাগবে। আর পুজোর সময় একটা আলাদা গ্ল্যামার সকলের মধ্যেই চলে আসে। এটাই মায়ের ম্যাজিক। আমি দুর্গাপুজোর সময় নবরাত্রি পালন করি। তাই এই সময়টা ডায়েট হয়ে যায় বলা চলে। তবে বছরের বাকি দিনগুলিতে যে খুব রুটিন ফলো করে ডায়েট করি, এমনটা নয়।



