নয়াদিল্লি: সংবিধান অনুযায়ী, যৌনতায় সম্মতি দেওয়ার ন্যূনতম বয়স ১৮। সম্প্রতি তা কমিয়ে ১৬ করার দাবিতে আবেদন জমা পরে সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু কেন্দ্রের তরফে সাফ জানানো হল, যৌনতায় সম্মতির ন্যূনতম বয়স আঠারোর কম হতে পারে না। বিষয়টা লিখিতভাবে সুপ্রিমকোর্টকে জানিয়েছেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি। তিনি বলেন, ‘অনেক ভেবে চিন্তে যৌনতার ন্যূনতম বয়স ১৮ করা হয়েছে। শিশুদের উপর হওয়া যৌন অপরাধ বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ। এতদিন এই আইন যে অগ্রগতি করেছে, যৌনতার বয়স কমানো হলে তা আরও কয়েক দশক পিছিয়ে যাবে।’ তিনি বলেন, ১৮৬০ সালে যৌনতায় সম্মতির বয়স ছিল মাত্র ১০। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়ানো হয়। ১৮৯১ সালে ১২ বছর, ১৯৪০ সালে ১৬ এবং ১৯৭৮ সালে যৌনতার ন্যূনতম বয়স করা হয় ১৮। এরপর থেকে আর কোনও বদল হয়নি। সম্প্রতি যে দাবি উঠেছে, তার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে প্রেম। অর্থাৎ ১৮-র নীচে বয়স অথচ প্রেমের টানে কেউ যদি শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় তাহলে তা কীভাবে অপরাধ হতে পারে? সরকারের ব্যাখ্যা, যৌনতায় সম্মতির বয়স কমানোর অজুহাত প্রেম হতে পারে না। বরং এমনটা করা হলে অপ্রাপ্তবয়স্কদের উপর যৌন নির্যাতন বাড়ার আশঙ্কা থাকবে। সরকারের দাবি, ১৮-র কম বয়সি কারও ‘সম্মতি’ নিয়ে সঠিক ধারণা নাও থাকতে পারে। আইনের সুযোগ নিয়ে সম্মতির দোহাই দিয়ে ছাড় পেতে পারে নির্যাতনকারী।



