আমেদাবাদ: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ডিগ্রি সংক্রান্ত তথ্য তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। আরটিআই আইনের অধীনে তা প্রকাশ করা যায় না। এব্যাপারে আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আবেদন খারিজ করে এমনই রায় দিল গুজরাত হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুনীতা আগরওয়াল ও বিচারপতি ডি এন রায়ের বেঞ্চ ২৯ সেপ্টেম্বরের রায়ে জানায়, তথ্যটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত ডিগ্রি সংক্রান্ত বলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘জনস্বার্থ’ বা ‘বৃহত্তর জনস্বার্থের’ আওতায় চলে আসে না। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত প্রকাশের ক্ষেত্রে জনস্বার্থের কোনো সম্পর্ক নেই। আরটিআই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে যে ছাড় রয়েছে, এই ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য বলে জানিয়েছেন বিচারপতিরা। গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইটে ডিগ্রি দেওয়ার পরও কেজরিওয়াল বিষয়টি নিয়ে মামলা চালিয়ে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছিল একক বেঞ্চ। এই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর পাশাপাশি কেজরিওয়ালের উপর ধার্য ২৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রত্যাহারেরও আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাতে আপত্তি জানান গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে সওয়ালকারী সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। আদালত আরও জানায়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা প্রকাশের মঞ্চ হিসাবে আদালতকে ব্যবহার করা উচিত নয়। আদালত আরও বলেছে, শুধুমাত্র সরকারি পদে রয়েছেন বলেই কেউ নিজের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন। তবে আইন অনুযায়ী তাঁর সেই তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা থাকলে, অথবা যে সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্যটি রয়েছে, আরটিআই আইনের অধীনে সেটি প্রকাশে বাধ্য হলে, বিষয়টি আলাদা।



