সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: শপথ গ্রহণ করেই ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের উন্নয়নে উদ্যোগ নেব। হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে আসতে দরবার করব স্বাস্থ্যভবনে। ময়নাগুড়ি বিধানসভা আসনে জয়ী হয়ে মঙ্গলবার এ কথাই বললেন বিজেপির ডালিম রায়।
সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: শপথ গ্রহণ করেই ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের উন্নয়নে উদ্যোগ নেব। হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে আসতে দরবার করব স্বাস্থ্যভবনে। ময়নাগুড়ি বিধানসভা আসনে জয়ী হয়ে মঙ্গলবার এ কথাই বললেন বিজেপির ডালিম রায়।
পঞ্চাশের দশকে ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল তৈরি হয়। এখনও এই হাসপাতাল চলছে টিনের চালের নীচে। হাসপাতালে ইসিজি পরিষেবা বন্ধ। ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন নেই। রোগীর পরিজনদের রাতে থাকার মতো ব্যবস্থা নেই। গোটা ময়নাগুড়িবাসী চাইছেন, রাজ্যে বিজেপি সরকার এসেছে। এবার হাসপাতালে পরিষেবার মানোন্নয়ন হোক।
ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের ওপর শুধু ময়নাগুড়ির মানুষ নন, পার্শ্ববর্তী কোচবিহার জেলার রানিরহাট, মালবাজার সহ কয়েকটি এলাকার রোগীরা চিকিৎসার জন্য আসেন। ৬০ বেড বিশিষ্ট এই হাসপাতালে চিকিৎসক মাত্র সাতজন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকার সামান্য কারণেই রোগীকে রেফার করা হয় জলপাইগুড়িতে। এবার নতুন সরকার তৈরি হতে চলেছে। হাসপাতাল নতুনভাবে গড়ে উঠুক, সেই আশায় বুক বেঁধছেন ময়নাগুড়ির বাসিন্দারা।
ময়নাগুড়ি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর আত্মীয় তালগুড়ির বাসিন্দা ফুলেশা রায়, পানবাড়ির রঞ্জু রায় বলেন, কয়েকদিন ধরেই পরিজন ভর্তি রয়েছে। কিন্তু এখানে রোগীর পরিজনদের রাতে থাকার ব্যবস্থা নেই। একটা ওয়েটিং রুম রয়েছে, সেখানে কোনোমতে বসে থাকতে হয়। বৃষ্টি হলে জল ঢোকে। মশার উপদ্রব সারা বছরই। বিজেপি সরকারের কাছে হাসপাতালের উন্নয়ন চাই।
ময়নাগুড়ির বাসিন্দা সুজিত রায়, দিলীপ রায়, জয়ন্ত সরকার প্রমুখ বলেন, সামান্য জ্বর-সর্দি হলেও এ হাসপাতাল থেকে জলপাইগুড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেভাবে সাফাই হয় না হাসপাতাল চত্বর। ময়নাগুড়ির নতুন বিধায়কের কাছে আমাদের দাবি, হাসপাতাল উন্নয়নে তিনি যাতে উদ্যোগী হন।
ময়নাগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সীতেশ বর জানান, এখন সাতজন চিকিৎসক, ১৭ জন নার্সিং স্টাফ দিয়ে পরিষেবা চলছে। টেকনিশিয়ানের অভাবে ইসিজি বন্ধ আছে। অনেক পুরনো একটি এক্স-রে মেশিন দিয়ে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, ভোটে জয়ী ডালিম রায় বলেন, ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের উন্নয়নে স্বাস্থ্যদপ্তরে দরবার করব। শপথ গ্রহণ হোক, তারপর ময়নাগুড়ির সামগ্রিক উন্নয়নে ঝাঁপিয়ে পড়ব।