গণতন্ত্রে বিরুদ্ধ মত জরুরি: ভাগবত
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: যন্তরমন্তরে জেন জি-দের উপর দমনপীড়ন আগেই বিপাকে ফেলেছে মোদি সরকারকে। এরইমাঝে স্বাধীনতা দিবসের দিন লালকেল্লা থেকে মোদির ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্য ঘিরে চর্চা তুঙ্গে। একাংশের কথায়, বিরোধী দল, শিক্ষিত সমাজ ও ককরোচদের নিশানা করতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই বিতর্কের আবহে কোথাও যেন মোদি-শাহদের পথে পা বাড়াল না আরএসএস। একইদিনে অর্থাৎ শনিবার নাগপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবতের বক্তব্য, গণতন্ত্রে বিরুদ্ধ মত জরুরি। বিরোধীদের অধিকার আছে জনস্বার্থে প্রশ্ন করার। বিরুদ্ধমতের সঙ্গে আলোচনা, মত বিনিময়, তর্ক-বিতর্ক করতে হবে। তাদের কথা শুনতে হবে। এসব সংবিধান প্রণেতারা বলে গিয়েছেন। যুবরাই ভবিষ্যৎ। যুবরাই স্তম্ভ। সংঘ প্রধানের কথায়, ‘বিরোধীদের বিক্ষোভ, গণ আন্দোলন বৈধ। এক্ষেত্রে দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা মাথায় রাখতে হবে। লোকজনের ভিন্ন ভিন্ন মত ও ব্যাখ্যা থাকতেই পারে। 

Advertisement

তবে জাতির প্রতি একটি সম্মিলিত অঙ্গীকার থাকা দরকার।’ দিনকয়েক আগে জেন জি-দের প্রশংসা করেছিলেন ভাগবত। এদিনের বক্তব্যেও সেই ইঙ্গিত মিলেছে। অশোক চক্রের তুলনা টেনে তিনি বলেন— গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, চাকার ‘স্পোক’গুলি একটি কেন্দ্র থেকে তৈরি হয়ে  নানা দিকে ছ‌ড়িয়ে পড়েছে। এই কেন্দ্রবিন্দুর কথা মাথায় রাখতে হবে। দেশের ভাষা, জাতি, সম্প্রদায়, মতামতের এই বৈচিত্র যেন সংবিধানের উপর চাপ সৃষ্টি না করে, সেই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। 
সংঘ পরিবার এবং মোদি-শাহ ব্রিগেডের মধ্যে এহেন ভিন্নমত পোষণকে কেন্দ্র করেই জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের কথায়, কোথাও যেন একটা ফাটল স্পষ্ট হচ্ছে। এরইমাঝে সিজেপি, ই-২০ জনতা পার্টির আদলে তৈরি হয়েছে দিমাগি নকশাল পার্টি। হু হু করে বাড়ছে ফলোয়ারের সংখ্যাও।