অমিত চৌধুরী, তারকেশ্বর: অন্ধ্রপ্রদেশের মন্দির, বন্দেমাতরম, কাল্পনিক মন্দির সহ একাধিক থিমে সেজেছে ধনেখালির পুজো মণ্ডপগুলি। ধনেখালিতে মোট বারোয়ারি পুজোর সংখ্যা ২৭১টি। এছাড়াও রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বনেদি বাড়ির পুজো। সেই সংখ্যা ৩৮টি। মহিলা বারোয়ারি পুজোর সংখ্যা ৮। বারোয়ারি পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম হল কানানদী সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পুজো। তাদের পুজো এবার ৭২ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। লখনউয়ের জানকিপুরম মন্দিরের আদলে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। ধনেখালির নজরকাড়া পুজোগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। দশঘড়া বাজারপাড়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির দেবী আবাহন এবার ৫৫ তম বর্ষে। এখানে কাল্পনিক মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। কোটালপুর সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পুজোর এবার ৫০ বছর। কাল্পনিক মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি করেছে তারা। দশঘড়া স্কুলপাড়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পুজোর এই বছর ৩১ তম বর্ষে পা দেবে।
বেশ কয়েকটি মহিলা পরিচালিত পুজো আছে এখানে। মিশ্রতলা মহিলা সমিতির পুজো ১৯ বছরে পদার্পণ করেছে। ধনেখালি বাসস্ট্যান্ডে সন্তান দল মহাসংঘের পুজোর এবার দ্বিতীয় বর্ষ। উদ্যোক্তাদের দাবি, আগে এই পুজো পরিচালনা করত একটি রাজনৈতিক দলের মাতব্বররা। এবার তাদের পরিবর্তে নতুনরা পুজোর দায়িত্ব নিয়েছে। সেকারণেই আমরা দ্বিতীয় বর্ষ লিখছি। থিম বন্দেমাতরম। স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতমাতার ছবি দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে মণ্ডপ। এছাড়াও ধনেখালিতে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বনেদি বাড়ির পুজো রয়েছে। এর মধ্যে আছে দশঘড়া রায়বাড়ি, বিশ্বাস বাড়ির পুজো। ভাণ্ডারহাটিতে চৌধুরী পরিবারের পুজো বিশেষ উল্লেখযোগ্য। সব মিলিয়ে ধনেখালির পুজোয় একে অপরকে থিমের লড়াইয়ে টেক্কা দিতে প্রস্তুত পুজো উদ্যোক্তারা। তাঁরা প্রত্যেকেই তাঁদের মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়বে বলে দাবি করেছেন। নিজস্ব চিত্র



