নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ডিএমকের প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ সমর্থন অদূর ভবিষ্যতে আসতে চলেছে এনডিএ জোটে। এরকম আশায় ছিল বিজেপি। সেই মর্মে প্রচারও করা হচ্ছিল সুনিপুণভাবে। কিন্তু ডিএমকে অনেকদিন ধরে রহস্য জিইয়ে রাখার পর এবার বিজেপির সেই আশায় জল ঢেলে দিল। শনিবার ডিএমকের দলীয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, তারা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে অনড় থাকবে। এই দাবিতে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপিও জমা দিতে যাবে। শনিবার রীতিমতো বৈঠকে রেজোলিউশন গ্রহণ করা হয়েছে। সেই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ডিএমকে ককরোচ জনতা পার্টিকে সমর্থন করছে। ছাত্র আন্দোলনকেও সমর্থন করবে। তাদের দাবির সঙ্গে ডিএমকে একমত। তামিলনাড়ুর শাসক দল টিভিকে আগেই সরাসরি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। এবার জেনজিকে তুষ্ট রাখতে ডিএমকে সরাসরি ককরোচের পাশে থাকার বার্তা দিল।
শনিবার এম কে স্ট্যালিনের দল সাফ বলেছে, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাই। এই বার্তার অর্থ হল, বিজেপি যে পরিকল্পনা করেছিল সেই কৌশল বিশ বাঁও জলে। কারণ বিজেপির আপাতত প্রধান লক্ষ্য হল, ডিলিমিটেশন বিল ও মহিলা সংশোধনী বিলের মতো কয়েকটি সংবিধান সংশোধন বিলকে পাশ করানো। আর সেজন্য দরকার দুই তৃতীয়াংশ এমপির সমর্থন। কিন্তু সেই লক্ষ্যপূরণ করতে হলে এনডিএ জোটকে দিয়ে হবে না। অন্য একাধিক দলের সমর্থন চাই। এমনকী বিদ্রোহী তূণমূল এমপিদের ভোটেও প্রয়োজনীয় সংখ্যা অর্জন করা যাবে না। তামিলনাড়ুর ভোটের পর ডিএমকের সঙ্গে কংগ্রেসের হয়েছে মতান্তর। কারণ ডিএমকের হাত ছেড়ে কংগ্রেস সমর্থন করেছে বিজয়ের সরকারকে। সরকারের অঙ্গও হয়ে গিয়েছে। ডিএমকের এতকালের সঙ্গে থাকার পর কংগ্রেসের এই আচরণকে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা আখ্যা দিয়েছে। সুতরাং বিজেপি সেই সুযোগই নিতে চেয়েছিল। কিন্তু সেটা আর হল না। ডিএমকেও চায় জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা। বিজেপি সঙ্গ আপাতত কেউ চাইছে না?



