নয়াদিল্লি: এসআইআর শুরুর আগেই দিল্লিতে ১১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। এই ‘ভোটাররা’ অবশ্য কয়েক মাস আগে ২০২৫ সালের দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। দেখা যাচ্ছে, দিল্লির ৭০টি বিধানসভা এলাকার মধ্যে ৬৮টি কেন্দ্রের বাদ যাওয়া ভোটারের সংখ্যা জয়ী প্রার্থীর জয়ের মার্জিনের থেকে বেশি। নির্বাচন কমিশন (ইসিআই), দিল্লির চিফ ইলেক্টরাল অফিসারের (সিইও) এবং সাবার ইনস্টিটিউটের নথি বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছে ভোটার অধিকার মঞ্চ। এরপরেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে নানা মহল। সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদবের দাবি, ‘২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের সময় দেশে ৯৯ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। আর ভোটার ছিলেন ৯৮ কোটি। এসআইআর পর্ব শেষ হলে দেশে ১০৩ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক থাকবেন। আর ভোটার থাকবেন মাত্র ৮৮ কোটি। এটাই এসআইআরের সাফল্য।’ তাঁর মতে, পুরো সিস্টেম এই গরমিলের সঙ্গে যুক্ত। দিল্লির এই ফৌজদারি ষড়যন্ত্রের তদন্ত হওয়া উচিত। তৃতীয় পর্বে ৩১ আগস্ট থেকে দিল্লিতে এসআইআর শুরু হয়েছে। পরিসংখ্যান তুলে ধরে ভোটার অধিকার মঞ্চ দেখিয়েছে, ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি দিল্লির ভোটার ছিল এক কোটি ৫৬ লক্ষ ১৪ হাজার। ৩০ জুন সেই সংখ্যাটাই কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ১০ হাজার ২৯৯। সূত্রের খবর, মাসিক রুটিন রিভিশনের সময় এই সব ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।



