নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের রেশ পৌঁছেছে বিদেশেও। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের অংশগ্রহণের বিষয়টি একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। গত ১০ অক্টোবর দিল্লিতে পুলিশের ‘বর্বরতা, বেআইনি আটক এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনে’র নিন্দা জানিয়ে সম্প্রতি বিবৃতি দিয়েছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ জন প্রাক্তন পড়ুয়া। এবার সেই বিবৃতির পালটা বিবৃতি জারি করল এই মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত ৪৪ জন। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে ‘অভিযান’-এর তীব্র সমালোচনা করলেন তাঁরা। বুধবার চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, ‘ভারতের নির্বাচন কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সংসদের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে নেতিবাচক জনমত গড়ে তোলা এবং সুপরিকল্পিত প্রচারের বিষয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’ যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই কোনো রাজনৈতিক প্রচারকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য হার্ভার্ডের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও ওই চিঠিতে অভিযোগ তোলা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রাক্তনীদের দেওয়া বিবৃতিকেই ইঙ্গিত দিয়েছেন ওই ৪৪ জন।
গত ১২ নভেম্বর প্রাক্তনীরা যে চিঠি লিখেছিলেন তাতে বলা হয়েছিল, ‘আমরা সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করে এমন সমস্ত কর্মকাণ্ড তারা যেন অবিলম্বে বন্ধ করে। যারা আইনের অপব্যবহারের জন্য দায়ী, তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।’ এর পালটা চিঠিতে বলা হয়েছে, ভারতের পরিস্থিতিকে যেভাবে ‘অবরুদ্ধ’ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ‘চোর’ অভিহিত করে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, তা আপত্তিকর। এর ফলে প্রতিবাদের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। তবে পুলিশের কার্যকলাপও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।



