Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ডিলিটেড, বিচারাধীনদের নিয়ে একটি শব্দও নেই, পরিবর্তন যাত্রার রথই এল না, ফাঁকা চেয়ার

রথ ছাড়া শুধুমাত্র সভা করে মানিকচকে শেষ হল বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। যদিও নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সভা শুরু হওয়ায় অসন্তুষ্ট হন অনেক বিজেপি কর্মী

ডিলিটেড, বিচারাধীনদের নিয়ে একটি শব্দও নেই, পরিবর্তন যাত্রার রথই এল না, ফাঁকা চেয়ার
  • ১০ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: রথ ছাড়া শুধুমাত্র সভা করে মানিকচকে শেষ হল বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। যদিও নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সভা শুরু হওয়ায় অসন্তুষ্ট হন অনেক বিজেপি কর্মী। এমনকি বেশিরভাগ চেয়ার ফাঁকা থাকায় কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।

Advertisement

পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সোমবার মানিকচকে পরিবর্তন যাত্রার রথ নিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে রথের প্রশাসনিক অনুমতি না পাওয়ায় শুধুমাত্র সভা করেই পরিবর্তন যাত্রা শুরু হয় মানিকচকের বাকিপুর দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে। এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বর্তমানে রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি নিশীথ প্রামাণিক। এছাড়া দক্ষিণ মালদহ জেলা বিজেপি সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায়, সাধারণ সম্পাদক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল সহ অন্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এদিন সকাল ১০ টায় সভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর একটা পর্যন্ত শুরু করা যায়নি। মঞ্চে জেলা নেতৃত্ব থাকলেও নিশীথ এলেন প্রায় দুটো নাগাদ। ততক্ষণ সামনের চেয়ারে নেতৃত্ব ও কর্মীরা থাকলেও পিছন দিকটা একদম ফাঁকা হয়ে যায়। যা দেখে মানিকচক ব্লক তৃণমূল সভাপতি মাহফুজুর রহমান বলেন, বিজেপির সঙ্গে যে লোক নেই, সেটা এতেই প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে।  জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক এনে সভা করার চেষ্টা করছে। বিজেপি ও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের চক্রান্তে মানিকচকের ৬৫ হাজার ভোটার বিচারাধীন। তাঁরা এবার সমুচিত জবাব দেবেন।
যদিও চেয়ার ফাঁকা থাকার কারণ হিসেবে গৌড়চন্দ্র রোদের কথা বলেছেন। তাঁর মন্তব্য, প্রচণ্ড রোদ থাকায় মঞ্চের পাশে আমগাছের নিচে কর্মীরা ছিলেন। তৃণমূল ভয় পেয়ে পুলিশ দিয়ে পরিবর্তন যাত্রা রথের অনুমতি না দেওয়ায় অনেকে আসেননি।
এদিনের সভায় নিশীথ মানিকচকে গঙ্গা ভাঙনের সমস্যা নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন। এছাড়া উন্নত বাস ডিপো, শবদাহ চুল্লি, কিষানজাতি শংসাপত্র সহ বিভিন্ন সমস্যা বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসার ৪০ দিনের মধ্যে সমাধান করে দেবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু এসআইআরে নাম বাদ যাওয়া এবং বিচারাধীনদের জন্য একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি তিনি। বলেন, রাজ্যের শাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। দেশের রাষ্ট্রপতিকে অপমান করা হচ্ছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিককে কালো পতাকা দেখাচ্ছে তৃণমূল। শীঘ্রই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির প্রয়োজন রয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ