Bartaman Logo
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কমছে কৃষিকাজ, উদ্বেগ জম্মু-কাশ্মীরে

দীর্ঘ সময় ধরে কাশ্মীরের মানুষের অন্যতম প্রধান জীবিকা ছিল কৃষিকাজ

কমছে কৃষিকাজ, উদ্বেগ জম্মু-কাশ্মীরে
  • ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ফিরদৌস হাসান, শ্রীনগর: দীর্ঘ সময় ধরে কাশ্মীরের মানুষের অন্যতম প্রধান জীবিকা ছিল কৃষিকাজ। তবে গত ১০ বছরে লাগাতার কমেছে কৃষিজমির পরিমাণ। সম্প্রতি একটি সরকারি রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে মাথাপিছু কার্যকরী কৃষিজমির (যে জমিতে কৃষক নিয়মিত চাষ-আবাদ করেন) পরিমাণ ছিল ০.৫৯৫ হেক্টর। বর্তমানে যা কমে দাঁড়িয়েছে ০.৫৯৩ হেক্টর। সব মিলিয়ে, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কৃষিজমির পরিমাণ কমেছে প্রায় ৩৪০০০ হেক্টর। 

Advertisement

মনে করা হচ্ছে, একদিকে ধানের মতো চিরাচরিত চাষে উপার্জন কমে যাওয়া। অন্যদিকে আপেল, ড্রাই ফ্রুটসের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে অনেকেই উদ্যান পালনের দিকে ঝুঁকছেন। তথ্য বলছে, ২০২১-২২ সালে উদ্যান পালনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল ৩.৪২ লক্ষ হেক্টর জমি। ২০২৪-২৫ সালে তা বেড়ে হয় ৩.৪৪ লক্ষ হেক্টর। জানা গিয়েছে, এই ২ হাজার হেক্টর জমির বেশিরভাগই ছিল চিরাচরিত চাষের জমি। সবচেয়ে বেশি কমেছে ধান চাষে ব্যবহৃত জমির পরিমাণ। 
অন্যদিকে, নীতি আয়োগের তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, ১৯৮০ সালে জম্মু-কাশ্মীরে উৎপাদিত ফলের মোট পরিমাণ ছিল ৫.৬৩ লক্ষ টন। ২০২২ সালে সেই পরিমাণ পাঁচ গুন বেড়ে হয়েছে ২৭.২২ লক্ষ টন। পাশাপাশি কৃষকদের আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি ও নগরায়নও এই কৃষিজমি হ্রাস পাওয়ার অন্যতম কারণ। জম্মু-কাশ্মীরের কৃষিদপ্তরের প্রাক্তন ডিরেক্টর মহম্মদ ইকবাল চৌধুরী জানিয়েছেন, কৃষকদের পরিবার বড়ো হয়েছে। ফলে মাথাপিছু জমির পরিমাণ কমেছে। অন্যদিকে, বহু জায়গায় চাষের জমিতে বাড়ি ও বাণিজ্যিক পরিকাঠামো তৈরি হয়েছে। সেটিও কৃষি জমির পরিমাণ কমার অন্যতম কারণ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ