গুয়াহাটি: ‘ওকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। তারপর পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। মেয়ের গায়ে ক্ষতচিহ্নও রয়েছে।’ রবিবার এমনই দাবি করলেন গুয়াহাটিতে মৃত তরুণীর বাবা। শনিবার গুয়াহাটির গড়ালের এক হোমস্টে থেকে উদ্ধার হয় ২২ বছরের তরুণীর দেহ। ঘটনার তদন্তে নেমে মৃতের প্রেমিক আসিফ আলিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তকারী আধিকারিকদের প্রাথমিক অনুমান, আসিফ ওই তরুণীকে খুন করে গল্প সাজিয়েছে। আর এরইমাঝে বাবার দাবিকে কেন্দ্র করে তদন্তে নয়া মোড়। মৃতের বাবার কথায়, মেয়ে বলেছিল বন্ধুদের সঙ্গে খেতে যাচ্ছে। সেইমতো শুক্রবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। ওইদিন রাত দশটা নাগাদ মাকে ফোন করে সে জানায়, বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছে। তাই এক বন্ধুর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলেই থাকবে। রাত দু’টো নাগাদ আচমকা মাকে ফোন করে সে বলে - মা, ওরা আমাকে মেরে ফেলবে। ওকে কেউ নৃশংসভাবে মারধর করছিল। এরপরই ফোনটা কেটে যায়। খুনের আগে ওরা আমার মেয়েকে গণধর্ষণ করেছে। মেয়েকে দড়ি দিয়ে বাঁধা হয়েছিল। ওর গায়ের একাধিক ক্ষতচিহ্ন সেই কথাই বলছে। ধৃতকে জেরা করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে তরুণীর প্রেমিক মুসলিম হওয়ায় লাভ জিহাদের প্রসঙ্গ উস্কে বিক্ষোভ দেখিয়েছে স্থানীয় কিছু সংগঠন।



