সরকারি স্কুলের প্রশাসনিক প্রধান বাছাইয়ের নয়া নির্দেশিকায় বিতর্ক
  • ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি স্কুলের কোনো প্রশাসনিক প্রধান (দায়িত্বপ্রাপ্ত অথবা স্থায়ী প্রধানশিক্ষক) অবসর নিলে এবার ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে সিনিয়র শিক্ষকদের মধ্যে বেছে দায়িত্ব দিতে হবে একজনকে। অবসরের আগেই বাছাইয়ের কাজ শেষ করতে হবে। তিনি দায়িত্বগ্রহণের সাতদিনের মধ্যেই আর্থিক ক্ষমতা চেয়ে আবেদন জানাবেন স্কুলশিক্ষা ডিরেক্টরেটে। সঙ্গে দিতে হবে রেজোলিউশন কপিটিও। স্কুলশিক্ষা দপ্তরের জয়েন্ট ডিরেক্টরের তরফে এমন নির্দেশ পেয়ে শোরগোল পড়েছে সরকারি শিক্ষকদের মধ্যে। এমন নির্দেশ এর আগে কখনো হয়নি বলেই দাবি অভিজ্ঞ শিক্ষকদের একাংশের।

Advertisement

শিক্ষকদের বক্তব্য, এমন কোনো পদক্ষেপ আগে করা হয়নি। আগে নিয়ম ছিল, কেউ অবসর গ্রহণের আগে তিনজন সবচেয়ে সিনিয়র শিক্ষকের নাম ডিরেক্টরেটে পাঠানো হত। সেখান থেকে সবচেয়ে সিনিয়র শিক্ষককে প্রশাসনিক প্রধানের দায়িত্ব দিত বিকাশ ভবন। এবার সেই পদ্ধতি পালটাচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, অধিকাংশ সরকারি স্কুলেই ম্যানেজিং কমিটির অস্তিত্ব নেই। সেক্ষেত্রে, ওই স্কুলগুলিতে কীভাবে প্রশাসনিক প্রধান বাছাই করা হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে। অন্যদিকে, কোচবিহার জেনকিন্স স্কুলে সবচেয়ে সিনিয়র শিক্ষককে এড়িয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তৃতীয় শিক্ষককে। মঙ্গলবার, একই দিনে দুটি অর্ডার সই হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৌগত বসু বলেন, ‘শতাব্দী প্রাচীন সরকারি স্কুলগুলির পরিচালনা সংক্রান্ত নিয়মনীতির তোয়াক্কা না-করে এই অর্ডার দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে সিনিয়র শিক্ষককে প্রধান শিক্ষকের ভার দেওয়ার নীতিতেই ফিরে আসুক দপ্তর। এই সংক্রান্ত নতুন অর্ডার জারি করা হোক।’