নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং দুই কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত মোদি সরকারের আইনটি কি সাংবিধানিকভাবে বৈধ? বিচারের ভার পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে পাঠানোর প্রশ্নে সহমতের রায় দিতে পারেনি সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ। তাই এই মামলাটি পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে মামলা পাঠানো হবে কি না, সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি। বুধবার এই মামলা বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠিয়ে ফের শোনার দাবি জানানো হয়। তখনই দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, ঠিক আছে আমরা ভেবে দেখেছি। আপনাদের আবেদনটি পুনর্বিবেচনা করে দেখা হবে।
২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল শীর্ষ আদালতে। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ মামলা শোনেন। কিন্তু রায়েল তাঁরা ভিন্ন মত পোষণ করেন। তাই গত ২৩ সেপ্টেম্বরের সেই দ্বিখণ্ডিত রায়ের পর মামলাটি নিষ্পত্তি হিসাবে না দেখে বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠিয়ে রায় পুনবির্বেচনার আবেদন করা হয়। এদিন প্রধান বিচারপতি আশ্বাস দিয়েছেন, এ ব্যাপারে ভেবে দেখে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
২০২৩ সালের ২ মার্চ দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) নিয়োগকে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ সিদ্ধান্ত দেয় যে, প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং দেশের প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত কমিটির পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি তাঁদের নিয়োগ করবেন। কিন্তু সেই রায়কে অগ্রাহ্য করে মোদি সরকার সংসদে বিল আনে। দেশের প্রধান বিচারপতিকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার, কমিশনার নিয়োগ কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় আনা হয় প্রধানমন্ত্রীর একজন ক্যাবিনেট মিনিস্টারকে। সেই থেকেই চলছে বিতর্ক।