সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: ঠিকাদারের মাধ্যমে নিযুক্ত চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মীদের আন্দোলনের জেরে পাল্টা পদত্যাগের হুমকি দিলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি। লেবাররুমে পর্যায়ক্রমে ডিউটি সহ চার দফা দাবিতে কয়েকদিন ধরে এমএসভিপির অফিসের সামনে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন এই অস্থায়ী কর্মীদের একাংশ। সোমবার এমএসভিপি ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, এই অনৈতিক আন্দোলন চলতে থাকলে আমি পদত্যাগ করব। এই অনৈতিক আন্দোলনের জন্য আমি পদত্যাগে বাধ্য হয়েছি তা স্বাস্থ্যভবনকে জানিয়ে দেব। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এই কর্মীদের যে দাবি, তা পূরণের দায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের। তাই এমএসভিপি জবাব দাও স্লোগান দিয়ে হাসপাতালের পরিষেবা বিঘ্নিত করে আন্দোলন বরদাস্ত করা হবে না।
Advertisement
এদিকে তৃণমূলের রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনও এই ধরনের আন্দোলনে সমর্থন করছে না। সোমবার সংগঠনের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ শাখার সভানেত্রী মৌসুমী সান্যাল বলেন, হাসপাতালে পরিষেবা বিঘ্নিত করে কোনও আন্দোলন আমরা সমর্থন করব না। এদিন আমরা ডেপুটি সুপারের কাছে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের একপক্ষ হয়ে যাইনি। প্রত্যেক কর্মী যাতে তাদের সুযোগ সুবিধা ঠিকমতো পান, সে নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এদিকে ডেপুটি সুপার সুদীপ্ত মণ্ডলের অফিসে এদিন এই আলোচনার সময় চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের দু›পক্ষের মধ্যে চরম বাদানুবাদ হয়। হাতাহাতি হওয়ার উপক্রম তৈরি হলে পুলিসে খবর দেওয়া হয়। মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়ির পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
ডেপুটি সুপার সুদীপ্ত মণ্ডল ফেডারেশনের নেতৃত্বকে পরিষ্কার জানিয়ে দেন সরকারের সিদ্ধান্ত মতো প্রসূতি, এইচডিইউ, সিসিইউয়ের মত সংবেদনশীল বিভাগের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাই সেখানে অন্য কর্মীদের ডিউটি দেওয়া সম্ভব নয়। যে অর্ডার দেখিয়ে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দাবি কর্মীরা করছেন, সেটা সরকারের নিজস্ব চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য। এই কর্মীরা ঠিকাদারের মাধ্যমে নিযুক্ত। কাজেই সেই সরকারি নির্দেশিকা এদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ফেডারেশন নেতৃত্ব এই বক্তব্যে সহমত পোষণ করেন।
মৌসুমী বলেন, প্রত্যেকটি কর্মী যাতে ঠিকমতো সুযোগ সুবিধা পায়, সে ব্যাপারে আমাদের নজর থাকবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা সংগঠনের মধ্যে আলোচনা করব। তবে হাসপাতালে পরিষেবা বিঘ্নিত করে কোনও আন্দোলন আমরা সমর্থন করব না।
এদিকে ডেপুটি সুপার সুদীপ্ত মণ্ডলের অফিসে এদিন এই আলোচনার সময় চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের দু›পক্ষের মধ্যে চরম বাদানুবাদ হয়। হাতাহাতি হওয়ার উপক্রম তৈরি হলে পুলিসে খবর দেওয়া হয়। মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়ির পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
ডেপুটি সুপার সুদীপ্ত মণ্ডল ফেডারেশনের নেতৃত্বকে পরিষ্কার জানিয়ে দেন সরকারের সিদ্ধান্ত মতো প্রসূতি, এইচডিইউ, সিসিইউয়ের মত সংবেদনশীল বিভাগের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাই সেখানে অন্য কর্মীদের ডিউটি দেওয়া সম্ভব নয়। যে অর্ডার দেখিয়ে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দাবি কর্মীরা করছেন, সেটা সরকারের নিজস্ব চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য। এই কর্মীরা ঠিকাদারের মাধ্যমে নিযুক্ত। কাজেই সেই সরকারি নির্দেশিকা এদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ফেডারেশন নেতৃত্ব এই বক্তব্যে সহমত পোষণ করেন।
মৌসুমী বলেন, প্রত্যেকটি কর্মী যাতে ঠিকমতো সুযোগ সুবিধা পায়, সে ব্যাপারে আমাদের নজর থাকবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা সংগঠনের মধ্যে আলোচনা করব। তবে হাসপাতালে পরিষেবা বিঘ্নিত করে কোনও আন্দোলন আমরা সমর্থন করব না।



