


সংবাদদাতা, বেলদা ও নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: রাজ্যের ক্ষমতা পরিবর্তনের ডাক দিয়ে সভা করতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। কিন্তু পরিবর্তনের হাওয়া ওঠার আগেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল মঞ্চ। মঙ্গলবার নারায়ণগড় বিধানসভার খাকুড়দা বাজারে বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’র শুরুতেই এমন নজিরবিহীন বিভ্রাটে চূড়ান্ত অস্বস্তিতে পড়ল গেরুয়া শিবির।এদিন সভার শুরুতেই অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ ও একঝাঁক নেতা-কর্মী হুড়মুড় করে মঞ্চে উঠে পড়েন। নেতাদের ‘ভার’ সইতে না পেরে কর্মসূচির মাঝপথেই বসে যায় তৈরি হওয়া মঞ্চটি। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে পড়েন নেতারা। রুদ্রনীল মঞ্চ ছেড়ে নেমে গেলেও পরে ভাঙা মঞ্চে দাঁড়িয়েই ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে নামেন তিনি। মঞ্চ ভাঙার সাফাই দিতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, আগে দলে লোক ছিল না, এখন মানুষ বেড়েছে। সেই চাপের চোটেই মঞ্চ ভেঙেছে। এই চাপ ২০২৬-এ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সহ্য করতে হবে। ব্লক তৃণমূল সভাপতি সুকুমার জানা বলেন, যাঁরা গুটিকয়েক লোক নিয়ে নিজেদের একটা কাঠের মঞ্চ সামলাতে পারে না, তাঁরা নাকি রাজ্য সামলানোর স্বপ্ন দেখছে। এটা তো লোক হাসানো ছাড়া আর কিছুই নয়। এদিকে বিড়ম্বনা পিছু ছাড়েনি খড়্গপুরের শালুয়াতেও। সেখানে পথসভায় রুদ্রনীল ঘোষ উপস্থিত থাকলেও মাঠে লোক ছিল কার্যত হাতেগোনা। লোক না হওয়ায় দীর্ঘক্ষণ সভা শুরু করা যায়নি। বুথস্তরের দুর্বল সংগঠন আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে নিচুতলার কর্মীরা যখন ক্ষোভে ফুঁসছেন, তখন মণ্ডল সভাপতি বিকাশ থাপার দাবি, অল্প জায়গায় সভা হয়েছে। জমায়েত নিয়ে আমরা খুশি। মঞ্চ ভেঙে পড়ার মুহূর্ত।-নিজস্ব চিত্র