Bartaman Logo
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ফরাসি রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কার ঘিরে চন্দননগরে উৎসবের আবহ, কাল আসছেন রাষ্ট্রদূত আলোয় সেজেছে স্ট্রান্ড রোড

চন্দননগরের ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রি ভবন সংস্কারের কাজের সূচনা করতে আসছেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত

ফরাসি রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কার ঘিরে চন্দননগরে উৎসবের আবহ, কাল আসছেন রাষ্ট্রদূত  আলোয় সেজেছে স্ট্রান্ড রোড
  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: চন্দননগরের ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রি ভবন সংস্কারের কাজের সূচনা করতে আসছেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত। আগামীকাল, শুক্রবার ভারতে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত থিঁয়েরি মাঁতু সাবেক ফরাসি তালুকে আসবেন। চন্দননগর ফেরিঘাটের কাছে ফরাসি রেজিস্ট্র ভবনটিকে বর্তমানে ভগ্নদশায় আছে। সেটিকেই হেরিটেজ ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। পরিকল্পনা হয়েছিল ভবনসংস্কারের। সেই কা঩জেই ফ্রান্সের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। ফরাসি রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে সংস্কার কাজে সূচনা হবে শুক্রবার। ওই অনুষ্ঠানকে ঘিরে ইতিমধ্যেই চন্দননগরে সাজসাজ রব পড়ে গিয়েছে। জগদ্ধাত্রী পুজোর আগেই এক উৎসবকে কেন্দ্র করে আলোকমালায় সেজেছে চন্দননগরের স্ট্রান্ড রোড। দফায় দফায় চলছে প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণ ও তৎপরতা। জানা গিয়েছে, ওই কর্মসূচিকে সামনে রেখে ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চন্দননগরকে ঘিরে উৎসব হবে।

Advertisement

এনিয়ে চন্দননগরের বিধায়ক তথা বিজেপির রাজ্যনেতা দীপাঞ্জন গুহ বলেন, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের তৎপরতায় ফ্রান্স সরকারের সহযোগিতায় ঐতিহ্য সংরক্ষণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর সেই কর্মসূচির সূচনা হবে। ফ্রান্সের ভারতীয় রাষ্ট্রদূত থাকবেন। রাজ্য প্রশাসন মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারিকরা থাকবেন। আমরা ফ্রান্স ও চন্দননগরের সংযোগকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ফুডস্টল, সমস্ত কিছুর মধ্যে দিয়ে তুলে ধরব। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ সেপ্টেম্বর ফরাসি রাষ্ট্রদূত জলপথে চন্দননগরে আসবেন। সেখান থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে থাকা রেজিস্ট্রি ভবনে যাবেন। পরে পাতালবাড়ির কাছে একটি মিশনারি স্কুলে অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বড়ো পর্দায় সংস্কার কাজের পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে। চন্দননগর মিউজিয়াম, ফরাসি কবরস্থানসহ একাধিক জায়গা ঘুরে দেখবেন রাষ্ট্রদূত।
বর্তমানে চন্দননগরের মহকুমা শাসকের অফিসের ঠিক উলটো দিকে অতীতের ফরাসি রেজিস্ট্রিভবন ছিল। সময়ের সঙ্গে তা ভগ্নপ্রায় শুধু হয়েছে তাই নয়, বট-পাকুড়ের গাছ সেটিকে ঘিরে ফেলেছে। যদিও দূর থেকেই সেই নির্মাণশৈলীর সুপ্রাচীন ধারা এবং ফরাসি আদল লক্ষ করা যায়। ১৮৭৫ সালে তৈরি বাড়িটি একদা জমজমাট ছিল। জমিজিরেত নথিভুক্তি পাশাপাশি বিবাহিতদের শংসাপত্রও ওই ভবন থেকে দেওয়া হত। বসত আদালতও। সেসব এখন অতীত। ধুলোমলিন ভবনের গা থেকে ইট খসে গিয়ে বিবর্ণ চেহারায় দাঁড়িয়ে আছে। ২০১৭ সাল নাগাদ ওই ভবনটিকে হেরিটেজ ঘোষণা করে পূর্বের অবস্থায় ফেরানোর পরিকল্পনা হয়েছিল। প্রায় দশবছর পরে সেই কাজের বাস্তবায়নকে ঘিরে সাজসাজ রব গঙ্গাপারের ফরাসডাঙায়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ