Bartaman Logo
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাহুলে বিদ্ধ কেন্দ্র, মোকাবিলায় দলের এক ডজন মুখ্যমন্ত্রীকে নামালো বিজেপি

‘এক আকেলা কিতনো কো ভারী।’ ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে বুক চিতিয়ে এমনই সংলাপে বিজেপির হাততালি কুড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু তিন বছরেই তা গায়েব।

রাহুলে বিদ্ধ কেন্দ্র, মোকাবিলায় দলের এক ডজন মুখ্যমন্ত্রীকে নামালো বিজেপি
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘এক আকেলা কিতনো কো ভারী।’ ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে বুক চিতিয়ে এমনই সংলাপে বিজেপির হাততালি কুড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু তিন বছরেই তা গায়েব। নিট ইস্যুতে জেন জি’র আন্দোলনের মুখে জেদ হারিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হওয়া থেকে শুরু। এখন জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে তা আরো বড় আকার নিয়েছে। জেন জি আর রাহুল গান্ধীর ভয়ডরহীন ভাবভঙ্গিকে কি আর মোদি-শাহকে দিয়ে মোকাবিলা করা যাচ্ছে না? সম্প্রতি রাহুলের বিরুদ্ধে বিজেপির এক ডজন মুখ্যমন্ত্রী আক্রমণে নামাতেই রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্ন উঠছে। 

Advertisement

ভোট চুরি করেই বিজেপি রাজ্যে রাজ্যে জিতছে বলেই দিন কয়েক আগে সাংবাদিক সম্মেলন করে তোপ দেগেছিলেন রাহুল। ফের স্লোগান তুলেছিলেন, ‘ভোট চোর গদ্দি ছোড়’। তিনি অভিযোগ করেন, এসআইআরে নাম বাদ দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে ষড়যন্ত্র চলছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে দেশদ্রোহী বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন রাহুল। তারই পালটা  শুভেন্দু অধিকারী, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, যোগী আদিত্যনাথ, ভজনলাল শর্মার মতো বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা রাহুল ও কংগ্রেসের সমালোচনা করেন। 
ফলে এখন যে কোন ‘আকেলা’ কতজনের কাছে ‘ভারী’ পড়ছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কটাক্ষের মুখে পড়েছে বিজেপি। এ ব্যাপারে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘এ তো উলটা চোর কোতয়াল কো ডাঁটে।’   তাঁর দাবি, ‘শুভেন্দু, হিমন্তর মতো যাঁরা ভোট চুরি করে জিতে এসেছেন, তাঁরা কিনা রাহুল গান্ধীর সমালোচনা করছেন। রাহুল গান্ধীই সবার প্রথম আওয়াজ তুলেছিলেন-ভোট চোর গদ্দি ছোড়। তখন অনেকেই কংগ্রেসের সঙ্গ দেয়নি। এখন সবাইকেই সেই ভোট চুরির প্রতিবাদে আওয়াজ তুলতে হচ্ছে।’ 
এমন আবহেই আজ মঙ্গলবার বসছে ‘কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি’র বৈঠক। যেখানে জ্ঞানেশ কুমারকে পদচ্যূত করা তথা ইস্তফার জন্য চাপ দিতে কী স্ট্র্যাটেজি নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে আলোচনা হবে। তৈরি হবে রোডম্যাপ। এআইসিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, এ ব্যাপারে দেশব্যাপী আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াবে কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই রাজ্য এবং জেলাস্তরে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন কর্মসূচি করেছে কংগ্রেস। এ ব্যাপারে জাতীয়স্তরে বিজেপি বিরোধী দলগুলি একজোট হয়েও দেশব্যাপী হবে ভোট চুরির প্রতিবাদ। তারই লক্ষ্যে আগামী কাল বুধবার কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকে বসছে মোদি বিরোধী মহাজোট। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ