নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপির সংকল্পপত্রে ঘোষিত ‘ভগিনী নিবেদিতা স্কিম’ চালু করার অনুমোদন দিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে অবিবাহিত কলেজছাত্রী, যাঁরা ফার্স্ট ইয়ারে অ্যাডমিশন নেবেন, তাঁদের প্রথম ও দ্বিতীয় বছরে ১৭ হাজার টাকা করে এবং তৃতীয় বছরে ১৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে কর্মবন্ধুদের বেতন বৃদ্ধি করল নবান্ন। পাঁচ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তাঁদের বেতন অক্টোবর মাস থেকে আট হাজার টাকা করা হল বলে সোমবার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন তিনি। আবার তফসিলি জাতি বা উপজাতিভুক্ত পড়ুয়া, যাঁরা হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করেন, তাঁদের ‘ফুড গ্র্যান্টস’ ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৩০০ টাকা করার ছাড়পত্র দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
কৃষকদের কৃষি যন্ত্রাংশ কেনায় সাহায্য করতে মোটা অর্থের ভরতুকি দেয় রাজ্য। শুভেন্দু অধিকারীর সরকার এই বাবদ খরচ আগের তুলনায় প্রায় ডবল করেছে। প্রায় ৪০০ কোটি টাকা এই খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে। আরও বেশি সংখ্যক কৃষকের কাছে এর সুবিধা পৌঁছে দিতে এর জন্য আবেদন অনলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। প্রত্যেক কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। ট্র্যাক্টর থেকে শুরু করে পাওয়ার ট্রিলার—প্রতিটি ক্ষেত্রেই মিলবে ভরতুকি। বেশ কিছু কৃষি যন্ত্রের ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ভরতুকি পেতে পারেন কৃষকরা। ব্যক্তিগতভাবে কোনো কৃষক কৃষিযন্ত্র কিনতে চাইলে যেমন আবেদন করতে পারবেন, একইভাবে কেউ কাস্টম হায়ারিং সেন্টার স্থাপন করতে চাইলেও মিলবে রাজ্যের তরফে আর্থিক সহায়তা। কাস্টম হায়ারিং সেন্টারে পাওয়ার হার্ভেস্টরের মতো কয়েক কোটি টাকা মূল্যের মেশিন থাকে। সেখান থেকে কৃষকরা তা ভাড়া নিতে পারেন। এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল বলেন, ‘রাজ্যের কৃষকদের পিছন ফিরে দেখতে হবে না। কারণ, তাঁদের হাতে থাকবে উন্নত কৃষিযন্ত্র। এই বাবদ বরাদ্দ বৃদ্ধি হওয়ায় অনেক বেশি সংখ্যক কৃষক উপকৃত হবে।’